একই সময়ে কবি জসীমউদ্দীনও অসুস্থ হয়ে একই হাসপাতালে পাশের একটি কেবিনে ভর্তি ছিলেন। দীর্ঘ সাহিত্যজীবনের দুই সহযাত্রী তখন একই করিডরে, অথচ প্রশাসনিক বিধিনিষেধের কারণে তাঁদের স্বাভাবিক সাক্ষাৎও সহজ ছিল না। ইতিহাস যেন পাশাপাশি দুটি কক্ষে অপেক্ষা করছিল; কিন্তু দরজা খুলছিল না।
এই পরিস্থিতির মধ্যেই জন্ম নেয় একটি সাহসী পরিকল্পনা।
তরুণ আলোকচিত্রী হিসেবে আমার মনে তখন একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল—বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস কি এই বিরল মুহূর্তকে আবারও কেবল শব্দের ভেতর হারিয়ে ফেলবে? নাকি এর একটি দৃশ্যমান দলিল ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রেখে যাওয়া সম্ভব?