চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় কর্ণফুলী নদীর ওপারে চন্দ্রঘোনা লিচুবাগান। এরপরই কোদালা বন বিট। সেখানে চোখে পড়ে পাহাড়ের গায়ে মাটি কাটার ক্ষত, কিছু জায়গায় বসতি স্থাপন আর এখানে সেখানে কাটা গাছের গোড়া।

বছরের পর বছর ধরে কীভাবে বনভূমি দখল হচ্ছে, গাছ উজাড় হচ্ছে তা বুঝতে জুলাই মাসের কয়েক দিন রাঙ্গুনিয়ার কয়েকটি এলাকায় ঘুরে দেখেন এই প্রতিবেদকেরা। কোদালা, নারিশ্চা, চিরিঙ্গা, পোমরা বন বিট ও নিশ্চিন্তপুর বন বিট—সবখানেই প্রায় একই চিত্র। কোথাও পাহাড় কেটে মাটি নামানোর পথ, কোথাও নতুন ঘর, আবার কোথাও কাটা গাছ সরানোর চিহ্ন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও বনকর্মীরা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে বন, পাহাড় ও বালু ঘিরে গড়ে ওঠা ব্যবসা সাবেক মন্ত্রী হাছান মাহমুদের অনুসারীরা নিয়ন্ত্রণ করতেন। আওয়ামী লীগের শাসনামলে শুধু রাঙ্গুনিয়াতেই বন বিভাগের ২১২ একরের বেশি জায়গা বেদখল হয়েছিল। এর বেশির ভাগই দখলে নিয়েছিলেন হাছান মাহমুদের ভাই এরশাদ মাহমুদ। সরকারের পতনের পর আগস্ট মাসেই (২০২৪ সাল) এরশাদ মাহমুদের দখলে থাকা ২০০ একরের মতো জমি উদ্ধার করা হয়। তবে এখনো বনের জায়গা দখল ও গাছ পাচার থামেনি। রাঙ্গুনিয়ায় এখনো দুই হাজার একর বন বেদখলে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ। এর মধ্যে বড় একটি অংশ স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের স্থানীয় নেতা-কর্মীর পরিচয় ব্যবহার করে দখল করা হয়েছে।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews