সেন্টার উইকেট ও অনুশীলন উইকেট মিলিয়ে সারাদেশে ১১টি ক্রিকেট হাবে উইকেট বানানোর পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। প্রাথমিকভাবে ৮টি হাবে ১৩৭টি নতুন উইকেট। বিসিবি পরিচালক ও গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান খালেদ মাসুদ সেই পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন সংবাদমাধ্যমে।
মঙ্গলবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলন করে পরিকল্পনা জানান। প্রথম ধাপে বরিশাল, খুলনা, ফতুল্লা, কক্সবাজার, বগুড়া, রাজশাহী বিকেএসপি ও পূর্বাচলে উইকেটগুলো তৈরি করা হবে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী বরিশালে ২৩টি, খুলনায় ১৫টি, কক্সবাজারে ৮টি, বগুড়ায় ১০টি, রাজশাহীতে ১২টি, ফতুল্লায় ১৩টি, বিকেএসপির ৩ ও ৪ নম্বর মাঠে ১৯টি, পূর্বাচলে ১৩টি উইকেট হবে। আগামী মে-জুন মাসের মধ্যেই এ উইকেটগুলো তৈরি করা হবে।
স্থানীয় কিউরেটরদের মাধ্যমে উইকেটগুলো বানানো হবে বলে জানিয়েছেন খালেদ মাসুদ। প্রাথমিকভাবে চালু হওয়া হাবগুলোতে রোলার, ঘাস কাটার মেশিন, পিচ কাভার, উইকেটের জন্য মাটি ও কংক্রিটের উইকেট দেবে বিসিবি। বলেছেন, ‘কিউরেটরদের সঙ্গে এ নিয়ে আলাপ করেছি। সবাইকে বলেছি। আমরা শুধু বিসিবি থেকে তাদের সাপোর্ট দেব, হয়তো মাটি দিলাম বা এমন। বাকি কাজটা স্থানীয় কিউরেটররাই করবেন। সব দায়িত্ব তাদের কাছে থাকবে।’
উইকেটগুলো তৈরি হলে খেলার আরও ভালো পরিবেশ, খেলার মান বৃদ্ধি, ম্যাচ আয়োজনের সক্ষমতা ও খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি বাড়বে বলে মনে করে বিসিবি। সংবাদ সম্মেলনে খালেদ মাসুদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার ও বিসিবি পরিচালক আবদুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, ‘ক্রিকেটীয় দিক থেকে দেখলে এটা একটা বিশাল উদ্যোগ। এটাতে আমরা সফল হতে পারলে প্রথম ধাপটা সফলভাবে সম্পন্ন হবে। যদি আমরা জুনের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারি, পরের মৌসুম থেকে হয়তো (ঢাকার বাইরের) লিগগুলো খুব ভালোভাবে শুরু করা যাবে।’
অবশ্য এই প্রকল্পের সম্ভাব্য বাজেট পাশ হলেও তার অঙ্ক জানাতে পারেননি খালেদ মাসুদ।