স্পিডবোটচালকের সহকারী নাজমুল আলম বলেন, প্রতিদিন সকালে কাজের আশায় ঘাটে আসেন, কিন্তু এসে শুনতে হয় অকটেন নেই। এরপর সারা দিন বসে থেকে সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরেন। এভাবে চলতে থাকলে কী করবেন, তা বুঝে উঠতে পারছেন না।
স্পিডবোটচালক বিশু দাস বলেন, আট দিন ধরে তাঁদের বোট বন্ধ। যাত্রীরা এসে স্পিডবোট ছাড়ার জন্য চাপ দেন। কিন্তু জ্বালানি না থাকায় তাঁর কিছু কিছু করার থাকে না। এতে অনেক সময় যাত্রীদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটিও হয়।
কুমিরা-গুপ্তছড়া নৌপথে তিনটি কোম্পানি স্পিডবোট পরিচালনা করে। এর মধ্যে আদিল এন্টারপ্রাইজ ও আরকে এন্টারপ্রাইজ যৌথভাবে স্পিডবোট সার্ভিস পরিচালনা করছে। অপর কোম্পানি সন্দ্বীপ মেরিন সার্ভিস আটটি স্পিডবোট দিয়ে যাত্রী আনা নেওয়া করত।
তবে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে তেলসংকট শুরুর আগে থেকেই সন্দ্বীপ মেরিন সার্ভিসের স্পিডবোট চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে বর্তমানে এই নৌপথে আরকে এন্টারপ্রাইজ ও আদিল এন্টারপ্রাইজের ২৫টি স্পিডবোট যাত্রী পরিবহন করছে। স্বাভাবিক সময়ে যৌথভাবে এই দুই কোম্পানির দৈনিক অকটেনের চাহিদা থাকে প্রায় তিন হাজার লিটার। ঈদের সময় যাত্রী চাপ বাড়লে সেই চাহিদা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ৪ হাজার ৫০০ লিটারে। তবে জ্বালানিসংকটে চলতি ৭ মার্চ থেকে এ দুই কোম্পানির কেউ অকটেন পায়নি।