আলমগীর জানান, পুরান ঢাকার সোয়ারীঘাটে তাঁর ভাইয়ের সঙ্গে তিনি মাছের আড়তের ব্যবসা করেন এবং নবাবগঞ্জ রোডে তাঁদের বাড়ি। লালবাগ–নবাবগঞ্জ রোড ২৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য তিনি। তবে সপরিবার মিরপুর ১১ নম্বরের ‘বি’ ব্লকে থাকেন।
পুলিশের একটি সংস্থা জানিয়েছে, মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে ল্যাংড়া রুবেলের সঙ্গে আলমগীরের শত্রুতা বাধে। এরই জের ধরে ল্যাংড়া রুবেল বাহিনী এই হামলা চালিয়ে থাকতে পারে।
যোগাযোগ করা হলে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসান বাসির প্রথম আলোকে বলেন, স্থানীয় সন্ত্রাসী রুবেল ওরফে ল্যাংড়া রুবেল আলমগীরকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে আলমগীর ও একজন পথচারী আহত হন। হামলার কারণ জানতে তদন্ত চলছে।