আহমদ মতিউর রহমান
লেবাননের ইসলামপন্থী দল হিজবুল্লাহর সাথে সিরিয়ার সম্পর্ক ছিল অবিচ্ছেদ্য। ইসরাইল যখন তখন হামলা চালাতো লেবাননে। তার পাল্টা জবাব দিয়েছে হিজবুল্লাহ। আর সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে হিজবুল্লাহ-সিরিয়া সম্পর্ক মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে উঠেছিল। ২০১১ সাল থেকে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ চলাকালেও সিরীয় বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে সরকারকে শক্তিশালী করতে হিজবুল্লাহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। হিজবুল্লাহকে সমর্থন যোগায় ইরান। তবে বাকি বিশ্ব তা ভাল চোখে দেখেনি।
২০২৩ সালে বাশার আল-আসাদের সিরীয় সরকারের সাথে সম্পর্ক পুনর্গঠনের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদি আরবের প্রচেষ্টা হিজবুল্লাহর উদ্বেগের কারণ হয়েছিল। সিরীয় সরকার নতুন জোটের সম্ভাবনা অন্বেষণ করতে ইচ্ছুক ছিল। কিন্তু এ পরিস্থিতিতে ২০২৪ সালের শেষের দিকে বাশার আল আসাদ সরকারের পতন ঘটলে পরিস্থিতি বদলে যায়। ৮ ডিসেম্বর ২০২৪-এ হায়াত তাহরির আল-শামের নেতৃত্বাধীন বিরোধী বাহিনীর একটি বড় আক্রমণের মুখে দামেস্কের পতনের ফলে বাশার আল আসাদ যুগের অবসান ঘটে। এরপর আহমেদ আল-শারার নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়। তিনি এখন দেশটির প্রেসিডেন্ট।
যা’হোক, বাশারের বিদায়ের পর থেকে নতুন সিরীয় সরকার ইরাক-সিরিয়া সীমান্ত দিয়ে হিজবুল্লাহর কাছে ইরানের সরবরাহ পথ বন্ধ করে দেয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, সীমান্ত বরাবর অস্ত্রের চালান রোধ করার জন্য পদক্ষেপ
নেয় সিরিয়া। যার প্রেক্ষপাটে লেবাননে ইসরাইলী আক্রমণের ফলে সামরিক সক্ষমতা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর হিজবুল্লাহর পুনর্গঠনের ক্ষমতাকে বাধাগ্রস্ত করে। বাশার আল আসাদ সরকারের পতনের সাথে সাথে কার্যত হিজবুল্লাহ ক্রমশ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। তবে উভয় পক্ষের মধ্যে সীমান্ত সংঘর্ষ চলে।
তবে আগের অবস্থান থেকে সরে এসে হিজবুল্লাহ-সিরিয়া সম্পর্কে এখন পালা বদলের ইঙ্গিত মিলছে। বিশ্লেষকদের প্রশ্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চাপ উড়িয়ে ইসলামপন্থী শারার সিরিয়া কি হিজবুল্লাহর সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ার পথে? মিডল ইস্ট আই সম্প্রতি এমন খবরই দিয়েছে। সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি সম্প্রতি লেবানন সফর করেছেন। বিশ্লেষকরা বলেন, শাইবানির লেবাননে সরকারি সফর বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এ সফর শুধু তাঁর নির্ধারিত আনুষ্ঠানিক বৈঠকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। বাশার আল-আসাদের পতনের পর বৈরুতে আল-শাইবানির এটি দ্বিতীয় সফর। এবার তিনি লেবাননের পার্লামেন্টের স্পিকার নাবিহ বেরির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। নাবিহ বেরি আমাল মুভমেন্টের নেতা ও হিজবুল্লাহর সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক মিত্র।
হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সিরিয়াকে কাজে লাগানোর বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি বেশ খোলামেলা মন্তব্য করেছেন। তিনি ইঙ্গিত দেন, হিজবুল্লাহকে ‘শায়েস্তা’ করার দায়িত্ব সিরিয়াকে দেওয়া হতে পারে। এনবিসি নেটওয়ার্কের ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে আরও নিখুঁত বা ‘সার্জিক্যাল’ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান ট্রাম্প। তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে ওয়াশিংটন সহায়তা করতে পারে অথবা ‘সিরিয়াকে সুপারিশ করতে পারে’। ১৬ জুন ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, আমি ইসরাইলকে পরামর্শ দিয়েছি, যেন তারা হিজবুল্লাহকে শায়েস্তা করার দায়িত্ব সিরিয়ার ওপর ছেড়ে দেয়।
সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর যে বার্তা দিচ্ছে সে বিষয়ে আলোচনার আগে লেবাননে ইসরাইলী হামলা ও তার ক্ষয়ক্ষতির কিছু চিত্র তুলে ধরা প্রয়োজন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সঙ্গে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরুর কয়েক দিন পর ইসরাইলে রকেট হামলা চালায় হিজবুল্লাহ। এর মধ্য দিয়ে ইসরাইল-লেবানন নতুন সংঘাতের সূত্রপাত হয়। পরে ইসরাইল লেবাননে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে এবং দেশটির কিছু এলাকায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। বর্তমানে ইসরাইলী বাহিনী লেবানন সীমান্ত পেরিয়ে প্রায় ১০ কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে একতরাফাভাবে একটি নিরাপত্তা বলয় বা বাফার জোন গড়ে তুলেছে। তেল আবিবের দাবি, উত্তর ইসরাইলের জনপদগুলোকে হিজবুল্লাহর সম্ভাব্য হামলা থেকে সুরক্ষিত রাখতেই এই ব্যবস্থা। তবে লেবাননের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করে গড়ে তোলা এই বাফার জোন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই তীব্র টানাপোড়েন চলছে। গত ২৬ জুন ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই সংকট নিরসনে একটি খসড়া সমঝোতা তৈরি হয়েছিল। তাতে লেবানন সংঘাতের অবসান, সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে নিরস্ত্রীকরণ, দক্ষিণ লেবাননে সরকারি সেনাবাহিনী মোতায়েন এবং পর্যায়ক্রমে ইসরাইলী সেনা প্রত্যাহারের শর্ত অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু ওয়াশিংটন চুক্তির পরও সীমান্তে ইসরাইলের প্রাণঘাতী হামলা থামেনি। অন্যদিকে হিজবুল্লাহও আত্মরক্ষার তাগিদে নিরস্ত্রীকরণের এই প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। চলতি বছরের মার্চ থেকে এ পর্যন্ত ইসরাইলী হামলায় লেবাননে ৪ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া অন্তত ৩৭ ইসরাইলী সেনা প্রাণ হারিয়েছেন। জুনে ইসরাইলী বাহিনী ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সাময়িক যুদ্ধবিরতি হলেও দ্রুতই তা ভেঙে যায়। এর আগেও বেশ কয়েকবার যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও মাঠপর্যায়ে সেগুলোর কোনোটিই কার্যকর হয়নি।
এখন আসি সিরীয় মন্ত্রীর সফর প্রসঙ্গে। ট্রাম্পের বিতর্কিত মন্তব্যের প্রেক্ষাপটেই সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর লেবানন সফর অনুষ্ঠিত হয়। শাইবানির এ সফরের মধ্য দিয়ে লেবানন সরকার একটি বাড়তি আশ্বাস পেয়েছে। তারা নিশ্চিত হয়েছে যে মার্কিন চাপে পড়ে লেবাননে সামরিক হস্তক্ষেপ করার কোনো উদ্দেশ্য সিরিয়ার নতুন প্রশাসনের নেই। বিশ্লেষকরা তাই বলছেন ট্রাম্পের হুমকি উড়িয়ে দিয়ে বৈরুতের সাথে নতুন বন্ধুত্বের পথে সিরিয়া।
অন্যদিকে এ সফরের মাধ্যমে দামেস্ক নিজেদের ওপর থাকা চাপের মাত্রা তুলে ধরার সুযোগ পেয়েছে। পাশাপাশি তারা একটি বার্তাও দিয়েছে। সিরিয়া-লেবানন সীমান্তে উত্তেজনা কমিয়ে হিজবুল্লাহ চাইলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে পারে। সফরের সময় শাইবানির সঙ্গে দেখা করেছেন লেবাননের এমন একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মিডল ইস্ট আইকে বলেছেন, সিরিয়ার উদ্দেশ্য সম্পর্কে স্পষ্ট বার্তা দিতে লেবানন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করেই এ সফর আয়োজন করা হয়েছে।
এর আগে টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা আশ্বাসের যে বার্তা দেন তা ছিল একটি ইতিবাচক লক্ষণ। তবে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ সফর আরও জোরালো বার্তা দিয়েছে। তা হলো, সিরিয়ার নতুন প্রশাসন লেবানন রাষ্ট্র বা এর সার্বভৌমত্বের জন্য কোনো হুমকি নয়। ২১ জুন আল মাশহাদ টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট আল শারা বলেছিলেন, ট্রাম্পের মন্তব্যগুলোর ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এমনভাবে বোঝানো হচ্ছে যেন সিরিয়ার সেনাবাহিনী দ্রুতই লেবাননে প্রবেশ করবে। শারার ভাষ্যমতে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাদের আলোচনা লেবাননে আগ্রাসনের বিষয়ে ছিল না; বরং সিরিয়া কীভাবে লেবানন-সংকটের একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ সমাধানে অবদান রাখতে পারে, সে বিষয়েই জোর দেওয়া হয়েছিল। শারা জানান, হিজবুল্লাহর সঙ্গে বৈঠক করতে প্রস্তুত দামেস্ক। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের সময় বাশার আল–আসাদকে সমর্থন করে এ গোষ্ঠী সিরীয়দের মনে যে ‘গভীর ক্ষত’ তৈরি করেছিল, তা সত্ত্বেও আলোচনার পথ খোলা রাখছেন তাঁরা। শাইবানির সফর সিরিয়ার সেই আশ্বাসকেই আরও মজবুত করেছে। এ সফরের ফলে সিরিয়ার কর্মকর্তা এবং হিজবুল্লাহর মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়নি। তবে এটি স্পষ্ট যে উভয় পক্ষই একে অপরের থেকে পুরোপুরি মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার অবস্থান থেকে সরে আসছে।
শাইবানির আগের সফরে লেবাননের স্পিকার আলোচনার আনুষ্ঠানিক সূচিতে ছিলেন না। তবে এবারের সফরে স্পিকার নাবিহ বেরির সঙ্গে তাঁর বৈঠক ছিল একেবারেই ব্যতিক্রমী একটি ঘটনা। বাশার আল–আসাদ সরকারের আমল থেকেই দামেস্কের সঙ্গে দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন বেরি। সিরিয়া যুদ্ধে হিজবুল্লাহর সামরিক হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করেছিলেন তিনি। তবে তিনি লেবাননের প্রধান শিয়া রাজনৈতিক আন্দোলনের নেতা। পাশাপাশি হিজবুল্লাহর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দেশীয় মিত্রও। এ অবস্থানই তাঁকে হিজবুল্লাহ ও সিরিয়ার নতুন নেতৃত্বের মধ্যে একজন স্বাভাবিক মধ্যস্থতাকারীতে পরিণত করেছে। সিরিয়ার নতুন কর্তৃপক্ষের প্রতি হিজবুল্লাহর নিজেদের সুরও ধীরে ধীরে নরম হচ্ছে। হিজবুল্লাহর মহাসচিব নাইম কাসেম দামেস্কের সঙ্গে সম্পর্কের একটি ‘নতুন অধ্যায়’ শুরু করার জন্য বারবার আহ্বান জানিয়েছেন। হিজবুল্লাহর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নওয়াফ মুসাওয়ি সিরিয়ার প্রেসিডেন্টকে ‘ভাই আহমেদ আল-শারা’ বলে সম্বোধন করেছেন।
এখন জানা যাচ্ছে রোমে ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরু হয়েছে। বৈঠকে ইসরাইল, লেবানন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া ত্রিপক্ষীয় কাঠামোগত চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা চলছে। গত ২৬ জুন, ওয়াশিংটনে স্বাক্ষরিত ওই চুক্তির মূল লক্ষ্য লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা এবং দক্ষিণ লেবানন থেকে আইডিএফ সেনা প্রত্যাহারের পথ সুগম করা। চুক্তি অনুযায়ী, ইসরাইল দক্ষিণ লেবাননের দুটি এলাকা থেকে সেনা সরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে। এরপর ওই এলাকাগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেবে লেবাননের সেনাবাহিনী এবং হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার উদ্যোগ বাস্তবায়ন করবে। এর আগে ইসরাইল জানিয়েছিল , হিজবুল্লাহর হাতে অস্ত্র থাকা পর্যন্ত তারা দক্ষিণ লেবানন থেকে এক পা-ও পেছাবে না। এ অচলাবস্থা কাটাতেই রোমে বৈঠক হয়। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন আশা প্রকাশ করেছেন যে রোমের এই সংলাপ থেকে চুক্তি বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে বাস্তবমুখী পদক্ষেপ আসবে। লেবাননের মূল দাবি হলোÑইসরাইলকে অনতিবিলম্বে সেনা প্রত্যাহার শুরু করতে হবে, যাতে খালি হওয়া অঞ্চলগুলোতে লেবাননের জাতীয় সেনাবাহিনী তাদের অবস্থান জোরদার করতে পারে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, চিহ্নিত অঞ্চলে প্রথমে হিজবুল্লাহ অস্ত্র সংবরণ করবে, এরপর ইসরাইল তাদের বাহিনী গুটিয়ে নেবে এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে লেবাননের সরকারি সেনা মোতায়েন করা হবে।
এদিকে ইসরাইলী প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সাথে ফোনালাপে ইসরাইলকে সিরিয়া ও লেবানন থেকে সৈন্য সরিয়ে নিতে বলেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ মর্মে একটি খবর প্রচারিত হয়েছে। তবে ইসরাইলী সেনা বাহিনী বলেছে এ বিষয়ে তাদের কিছু জানা নেই।
অন্যদিকে কূটনৈতিক আলোচনার আড়ালে সীমান্তে মানবিক বিপর্যয় আরও ঘনীভূত হচ্ছে। ইসরাইলী বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের একাধিক গ্রাম খালি করে দিয়ে পুরো বসতি ধ্বংসের কৌশল নিয়েছে। বহু বাড়িঘর ও পুরো গ্রাম একযোগে বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। রোমের এ আলোচনা যুদ্ধমেঘ সরাতে কতখানি কার্যকরী হবে সেটাই এখন প্রশ্ন। সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানির সফর ও রোম আলোচনা সব মিলিয়ে লেবানন পরিস্থিতি কি দাঁড়ায় বিশ্লেষকরা সেটা দেখার অপেক্ষা করছেন।
লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক।