গত ৯ আগস্ট বিশ্বব্যাপী আদিবাসী দিবস পালিত হলো। আমাদের দেশেও হলো। এদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর কিছু লোক সভা-সমাবেশ, সেমিনার করে কিছু দাবি দাওয়ার কথা বললেন। সাম্প্রতিক সময়ে প্রায় প্রতি বছরই তারা এ ধরনের কিছু একটা করেন, কিছু দাবি দাওয়া তুলে ধরেন। ‘আদিবাসী’ শব্দটিকে এদেশের কিছু বিশেষ স্বার্থান্বেষী সম্প্রদায় এবং বুদ্ধিজীবী মহলের অভিধানে সাম্প্রতিক সংযোজন। তাই হয়তো না বুঝেই অথবা বুঝে শুনেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তারা শব্দটির ব্যাপক চর্চা করে থাকেন। এর ফলে সাধারণ মানুষ তো বটেই, এমনকি সচেতন মহলেও বিভ্রান্তি তৈরি হয়। তাই অনাকাক্সিক্ষত বিভ্রান্তি দূর করার জন্য আলোচনা প্রয়োজন।
প্রথমেই আদিবাসী শব্দটির সংজ্ঞা খুঁজে বের করা প্রয়োজন। বস্তুত ইংরেজি নেটিভ, অ্যাবরিজিন বা ইনডিজেনাস শব্দগুলোর কোন উপযুক্ত বাংলা প্রতিশব্দ নেই। আদিবাসী শব্দটি কোত্থেকে কীভাবে এলো, সেটা নিয়েই একটা গবেষণা হওয়া দরকার। কারণ, ইংরেজি যে শব্দগুলোর বাংলা অর্থ হিসেবে আমরা আদিবাসী শব্দটি ব্যবহার করছি, সেগুলোরই কোন সার্বজনীন সংজ্ঞা নেই। জাতিসংঘের পার্মানেন্ট ফোরাম অন ইনডিজেনাস ইস্যুজ-ই বলছে, ইনডিজেনাস শব্দটির কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সংজ্ঞা কোথাও নেই। তবে তারা কোনো জনগোষ্ঠীকে ইনডিজেনাস হিসেবে স্বীকৃতি দেবার কিছু প্যারামিটার সেট করেছেন। দু’টি অন্যতম প্যারামিটার হচ্ছে, প্রাক-উপনিবেশিক সমাজের সাথে ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা এবং জমিন ও পারিপার্শ্বিক পরিবেশের সাথে জীবন-জীবিকার শক্তিশালী সম্পর্ক থাকা। আরও সহজ করে বললে, ইনডিজেনাস তারাই যারা কোনো অঞ্চল কারও উপনিবেশে পরিণত হবার আগে থেকেই সেই অঞ্চলে বসবাস করতো এবং ওই অঞ্চলের প্রাকৃতিক সম্পদের সাথে তাদের জীবন-জীবিকার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।
কোনো একটি অঞ্চল উপনিবেশে পরিণত হবার আগে সেখানে কারা বসবাস করতো সেটা জানতে হলে পৌরাণিক কাহিনী বা পুরাণ, কিংবা ওরাল ক্রনিকলস বা পুঁথি পড়ে তো সত্য উন্মোচিত হবে না। ওগুলো তো গল্প। যখন যে পুরোহিত কিংবা রাজামশাই থাকেন তিনি তার সভাকবিদের দিয়ে ইচ্ছেমতো ইতিহাস লিখিয়ে নেন। প্রকৃত সত্য জানতে হলে আমাদের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন খুঁজতে হবে, শিলালিপির পাঠোদ্ধার করতে হবে কিংবা অন্তত পক্ষে রেকর্ডেড হিস্ট্রি দেখতে হবে। আর যদি আধুনিক বিজ্ঞানভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থার কথা বলি, তবে জিনতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ, জেনেটিক অ্যানালিসিস বা ডিএনএ অ্যানালিসিসের সুযোগ তো আছেই। আমাদের এই অঞ্চল ব্রিটিশ উপনিবেশে পরিণত হবার আগে এখানে অনেক জাতি-গোষ্ঠীরই বসবাস ছিলো। কেউ কেউ আদিকাল থেকেই এই অঞ্চলে বসবাস করতো। অন্যরা পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে অভিবাসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এখানে এসেছে। তাই এই অঞ্চলের আদিমতম অধিবাসীদের সনাক্ত করার জন্য আমরা সবচেয়ে আধুনিক পদ্ধতি ডিএনএ অ্যানালিসিলের ফলাফলের দিকে নজর দিতে পারি।
বাঙালির জিনতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে তিনটি স্তরে ভিন্ন ভিন্ন তিনটি প্রাচীন জনগোষ্ঠীর ডিএনএ সনাক্ত হয়েছে। এর ৪৫ শতাংশই দশ হাজার বছর পূর্বে আফ্রিকা থেকে দক্ষিণ ভারতে আগত ‘হোমো স্যাপিয়েন্স’ এর প্রথম গ্রুপ এবং পারস্য থেকে আগত কৃষিজীবীদের ডিএনএ’র সংমিশ্রণ। পলি জমে গাঙ্গেয় বদ্বীপের গঠন প্রক্রিয়া শুরু হয় সাত হাজার বছর আগে। ধরে নেয়া যায়, পলি-বিধৌত প্রাচীন বাংলার উর্বর জমিতে কৃষিকাজের মধ্য দিয়েই এই অঞ্চলে বাঙালির পূর্বপুরুষের গোড়াপত্তন। এর পরের জিন-স্তরে আছে প্রাচীন অস্ট্রো-এশিয়াটিক জনগোষ্ঠীর ১৫ শতাংশ ডিএনএ। আজ যারা অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সোচ্চার, তাদের জেনে রাখা ভালো, ওই একই প্রাচীন জনগোষ্ঠীর ১৫ শতাংশ ডিএনএ বহন করছে বাঙালির রক্ত। তারা এসেছিল চার হাজার বছর আগে। তারাই প্রথম এই অঞ্চলে সেচের মাধ্যমে চাষাবাদের সূচনা করে। এর পরে, ৩,৫০০ বছর আগে ইউরেশিয়ান স্টেপ থেকে আর্যদের আগমন। বাঙালির রক্তে ওই ইন্দো-আরিয়ানদের ডিএনএ রয়েছে ৪০ শতাংশ।
এবার দেখা যাক, যেসব ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী আজ নিজেদের আদিবাসী বলে দাবি করছে, এ অঞ্চলে তারা কখন, কোত্থেকে, কী কারণে এলো। দু’টি বড় আকারের অভিবাসনের ঢেউ এসে বাংলার মাটিতে আছড়ে পড়ে আরাকান থেকে। একটি ১৪০৩ সালে যখন ইরাবতী উপত্যকা থেকে আরাকান পর্বতমালা পেরিয়ে বার্মিজরা আরাকান আক্রমণ করে বসলো, তখন। তৎকালীন আরাকানের রাজা নরমেখলা পালিয়ে এলেন বাংলায়। সাথে ছিল রোহিঙ্গা, রাখাইন, চাকমা আর মারমা সম্প্রদায়ের লোকেরা। তারা আশ্রয় চাইলো বাংলার সুলতান জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ শাহের কাছে। সুলতান আশ্রয় দিলেন।
১৪৩০ সালে নরমেখলা সুলতানের সামরিক সাহায্য নিয়ে তার হারানো রাজ্য ফিরে পেলেন। নতুন রাজ্যের নাম হলো ম্রক-উ, রাজধানী ম্রো-হাং। অভিবাসীরা ফিরে গেল। এই অভিবাসনটি স্থায়ী হয়নি। তবে চাকমা (আরাকানী ভাষায় ‘ডাইনেট’), মারমা (আরাকানী ভাষায় ম্রাম্মা) এবং রাখাইন সম্প্রদায়ের কিছু লোক থেকে গেলো। ১৭৯৮ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ভাষা বিশারদ ফ্রান্সিস বুকানন পার্বত্য চট্টগ্রাম রেকি করতে এসে এদের দেখা পান। উইলিয়াম ভ্যান শ্যান্ডেল সম্পাদিত ‘ফ্রান্সিস বুকানন ইন সাউথইস্ট বেঙ্গল (১৭৯৮): হিজ জার্নি টু চিটাগাং, দ্য চিটাগাং হিল ট্র্যাক্টস, নোয়াখালী অ্যান্ড কুমিল্লা’ শিরোনামের বইতে এসেছে ‘২৯ এপ্রিল ১৭৯৮। সকাল ন’টায় আমরা চেংগী নদীর মুখে পৌঁছালাম। সাথের বাঙালি গাইড বললো, এই নদী উত্তরে অনেকদূর পর্যন্ত গেছে। আমি ছিপ নৌকায় পাঁচদিনের পথ পর্যন্ত গিয়েছি। বিকেল সাড়ে চারটায় আমরা কাসালং নদীর মুখে পৌঁছলাম। গ্রামের উৎসুক লোকগুলো ইউরোপীয়ান দেখার জন্য জড়ো হলো। চাকমাদের মুখগুলো ছিল বার্মিজদের মতো, খুব ফর্সা। আমি দেখলাম, এখানকার সবাই বাংলায় কথা বলছে। তারা আরও বললো, তারা অন্য কোনো ভাষা বোঝে না। সাধারণ লোকগুলো বাংলায় বই পড়ে, কিন্তু পুরোহিতরা রাখাইন ভাষায় লেখা বই পড়ে’। বুকাননের লেখা থেকে বোঝা যায়, প্রথম ধাপের চাকমা, মারমা এবং রাখাইন অভিবাসীরা বাংলার সমাজে পুরোপুরি আত্মীকৃত হয়ে গিয়েছিল। তারা বাংলায় কথা বলতো, বাংলায় লিখা বই পড়তো। পরের বার ১৭৮৪ সালে যখন বার্মার রাজা বোদাওপায়া আবার ম্রক-উ (আরাকান) আক্রমণ করলেন, তখন দুই লক্ষাধিক অভিবাসী আশ্রয় নিলো বাংলায়। তখন বাংলা ছিল ব্রিটিশ উপনিবেশের অংশ। ১৮২৪ সালে ব্রিটিশরা যখন আবারও আরাকান দখল করলো, ফিরে গেল রোহিঙ্গা আর রাখাইনরা। থেকে গেল চাকমা আর মারমা সম্প্রদায়। এই অঞ্চলে সেটাই চাকমা এবং মারমা সম্প্রদায়ের বড় আকারের অভিবাসনের সবচেয়ে প্রাচীন ইতিহাস।
আজ, সাত হাজার বছরের পুরানো বাঙালিকে যখন সাড়ে তিনশো বছরের পুরানো অভিবাসীরা ‘আদিবাসীর’ বয়ান শোনায় তখন তা প্রলাপের মতোই শোনায় বৈকি। দুর্ভাগ্য আমাদের। এই দেশে এই তো দু’বছর আগেও একজন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, যার মানসিক সুস্থতা সম্পর্কে যথেষ্ট সন্দেহের অবকাশ রয়েছে। তিনি এমন এক উদ্ভট চুক্তি করে রেখে গেলেন, সাত হাজার বছর ধরে এই অঞ্চলে বসবাসকারী বাঙালিকে আজ সাড়ে তিনশো বছর আগে উড়ে এসে জুড়ে বসা বহিরাগত জনগোষ্ঠীর রাজার কাছ থেকে স্থায়ী বাসিন্দার সনদ সংগ্রহ করতে হয়। আমি অপেক্ষায় আছি, কবে এদেশের সুপ্রিম কোর্ট থেকে সরকারকে শোজ করা হবে, কেন এই চুক্তিকে অবৈধ বলে গণ্য করা হবে না? তারা ‘আদিবাসী’ বয়ানের মোড়কে বৈষম্যের কথা বলে। তারা অধিকার চায়। কিসের অধিকার? কারা হচ্ছে বৈষম্যের শিকার? পার্বত্য চট্টগ্রামের মোট জনসংখ্যার ৫০ শতাংশেরও বেশি হচ্ছে আদিবাসী বাঙালি। পক্ষান্তরে চাকমা ২৫ শতাংশেরও কম, মারমা ১১ শতাংশ, ত্রিপুরা সাত শতাংশ, বাকীরা আরও অনেক অনেক কম। অথচ, জাতীয় সংসদ বলুন, আঞ্চলিক পরিষদ বলুন, কোথাও পার্বত্য বাঙালির যৌক্তিক প্রতিনিধিত্ব নেই। আঞ্চলিক পরিষদে ৫০ শতাংশ মানুষের প্রতিনিধিত্ব এক তৃতীয়াংশ হবে কেন, অধিকতর নয় কেন? মোট পার্বত্য জনসংখ্যার ২৫ শতাংশের কম চাকমা জনগোষ্ঠীর শিক্ষিতের হার যেখানে ৭৩ শতাংশ, সেখানে ৫০ শতাংশের বেশি জনগোষ্ঠী বাঙালির শিক্ষিতের হার মোটে ২৩ শতাংশ কেন?
বৈষম্যের কথা আরও বলি। বিশ্ব ব্যাংক থেকে বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন এলাকার দারিদ্র্য এবং চরম দারিদ্র্যের ম্যাপিং করা হয়। বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার এই দারিদ্র্য ম্যাপিং সর্বশেষ ২০২৫ সাল পর্যন্ত আপডেট করা। এটা ওয়েবসাইটে পাওয়া যায়, দেখে নিতে পারেন। এই ম্যাপিংয়ে দেখা যাচ্ছে, রাঙ্গামাটির দারিদ্র্যের হার ২০ শতাংশ, চরম দারিদ্র্যের হার সাত শতাংশ। পক্ষান্তরে কুড়িগ্রামের দারিদ্র্যের হার ৬৪ শতাংশ, চরম দারিদ্র্যের হার ৪৪ শতাংশ। বাংলাদেশের হাওর অঞ্চলের প্রতিটি জেলার দারিদ্র্য এবং চরম দারিদ্র্যের হার পার্বত্য তিনটি জেলার দারিদ্র্য এবং চরম দারিদ্র্যের হারের চেয়ে অনেক অনেক বেশি। একই অবস্থা দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতেও। কারা বৈষম্যের শিকার হচ্ছে? কারা দারিদ্র্যের যাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছে? কারা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে? কাদের জন্য হয়েছিল ২৪-এর বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন? ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের কাছে বিনীত আবেদন, দয়া করে ‘আদিবাসীর’ মুখোশটা খুলে আয়নায় চোখ রাখুন। বৈষম্যের শিকার আপনারা নন, বাঙালিরা।
একটা ব্যাপার বোঝা খুব জরুরি। আদতে আদিবাসী পরিচয় এবং অধিকারের দাবিটা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মধ্যে ছিল না। এমনকি বৈষম্যমূলক পার্বত্য চুক্তিতেও শব্দটা আসেনি। এসেছে উপজাতি শব্দটা। জনসংহতি সমিতির নেতারাও ‘আদিবাসী’ শব্দটা বেছে নেননি। শব্দটি আমদানি করেছেন রাজবংশীয়রা, যারা মুখে আদিবাসী সংস্কৃতির কথা বলেন, অথচ পুত্র, কন্যা, দৌহিত্রদের পাশ্চাত্যের শিক্ষা আর সংস্কৃতির মধ্যে বেড়ে ওঠার সুযোগ করে দেন। ওরা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কল্যাণের কথা ভাবেন না। তারা চান না ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাঠ পর্যায়ের মানুষগুলো শিক্ষিত হোক, সুস্থ থাকুক, নিজস্ব জমির মালিক হোক। তাই সরকার যখন পার্বত্য এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেয়, তারা তখন বাধা দেয়, প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। তারা চায় না আপনাদের নিজস্ব জমি থাকুক। তারা চায় জমির মালিক হবে রাজা। প্রজাদের কোনো মালিকানা থাকবে না। আপনার নিজস্ব কোনো জমি থাকবে না। রাজার তল্পীবাহক হেডম্যান আর কারবারিরা বলে দেবে আপনি কোন বছর কোন জমিতে চাষাবাদ করবেন। একবার ভাবুন, ওইসব চতুর রাজবংশীয়রা ‘আদিবাসী’ ধুয়া তুলে আপনার ব্যক্তি অধিকার, ব্যক্তি স্বাধীনতা হরণ করার চেষ্টা করছে না তো? আর আমাদের তথাকথিত বন্ধু(?) রাষ্ট্রের ইন্ধন তো আছেই। যখনই আমরা পার্বত্য অঞ্চলে পারস্পরিক সৌহার্দ্য এবং সম্প্রীতির ভিত্তিতে একটি বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণে অগ্রসর হই, তখনই ওরা কিছু সশস্ত্র দুষ্কৃতকারী লেলিয়ে দিয়ে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করে।
সবশেষে বলব, যদি আলোচনায় বসতে চান, বিতর্কে আগ্রহী হন, বৈষম্যহীন সমাজ চান, সম অধিকার চান, চলুন গঠনমূলক আলোচনা করি। আর যদি ‘আদিবাসী’ নামের অদ্ভুত সব মতবাদের উপর ভিত্তি করে সহিংসতার পথ বেছে নেন, অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা চালান, তবে সরকার উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে বলেই আমি বিশ্বাস করি। দেশটা সবার। এখানে প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার। বিশেষ অধিকারসম্পন্ন কোনো এলিট শ্রেণির স্থান এখানে হবে না।
লেখক: অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।