এদিকে ইরাক থেকে চালানো ড্রোন হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়ার পর সৌদি আরব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে। আরও হামলা যেন না হয়, তা নিশ্চিত করতে ইরাকি কর্তৃপক্ষকে সময় দিচ্ছে সৌদি আরব। সে জন্য তারা আপাতত সংযত আছে।
সম্প্রতি সৌদি আরব এই পথ দিয়ে লাখ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করেছে। বাব আল-মানদেব দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ কমে যেতে পারে। তেল পরিবহনে তখন ঘুরপথ পথ বেছে নিতে হবে। এতে সময় ও পরিবহন খরচ—দুটোই বাড়বে। ক্রমবর্ধমান জাহাজভাড়া ও মূল্যস্ফীতিতে এর প্রভাব পড়বে।
জ্বালানি বাজারবিষয়ক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান এনার্জি অ্যাসপেক্টসের সহপ্রতিষ্ঠাতা রিচার্ড ব্রোঞ্জ সিএনএনকে বলেন, ‘বাব আল-মানদেব এত দিন বাণিজ্যের প্রাণভোমরার মতো ছিল। এই পথ হারানোর আশঙ্কা থেকে বোঝা যাচ্ছে, পরিস্থিতি কতটা অস্থিতিশীল।’