এ সময় দেইসি ইতালির সাবেক আইনপ্রণেতা ইলোনা স্টালারের উদাহরণ টানেন। একসময় পর্নো তারকা ছিলেন ইলোনা। গত শতকের সত্তরের দশকে একটি রেডিও অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তুমুল জনপ্রিয়তা পান তিনি। পরে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। ইতালির পার্লামেন্টের সদস্য হন ইলোনা।
দেইসি বলেন, ‘আমার অভিজ্ঞতা আমাকে বৈষম্য, স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম ও প্রান্তিক মানুষের অর্থনৈতিক বাস্তবতা বুঝতে সহায়তা করেছে। এসব বিষয় আমি সরাসরি পার্লামেন্টের বিতর্কে তুলে ধরার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।’
‘সমস্যা হলো, সমাজ প্রাপ্তবয়স্কদের আধেয় ঠিকই দেখে, কিন্তু ক্ষমতার জায়গায় আমাদের কথা বলার সুযোগ দিতে মোটেই রাজি নয়,’ বলেন সাবেক এই পর্নো তারকা।
বামপন্থী সিনেটর দেইসি এখন মানসম্মত মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার পক্ষে কাজ করছেন; সেই সঙ্গে যৌন নির্যাতন প্রতিরোধে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবিতে প্রচারণা চালাচ্ছেন।