শেষের দিকে এগোচ্ছে ঘরোয়া ফুটবলে মর্যাদাকর আসর পেশাদার লিগ। কার ঘরে শিরোপা যাবে এখনো নিশ্চিত নয়। তবে লড়াইটা তিন দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। অংশ নেওয়া ১০ দলই ১৩টি করে ম্যাচ খেলেছে। বসুন্ধরা কিংস ২৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে। ঢাকা আবাহনী ও ফর্টিস এফসি সমান ২৫ পয়েন্ট সংগ্রহ করলেও গোল ব্যবধানে আবাহনী দ্বিতীয় স্থানে। পরের দলগুলোর পয়েন্ট ব্যবধান বেশি হওয়ায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললে চলে। রহমতগঞ্জ ১৯ ও পুলিশের সংগ্রহ ১৬। বাকিরা তো রেলিগেশন ঠেকাতেই ব্যস্ত।
তিন পয়েন্টের ম্যাচে তিন পয়েন্টে এগিয়ে থাকাটা কোনোভাবেই সুবিধাজনক নয়। যে কোনো সময়ে অবস্থানের পরিবর্তন ঘটতে পারে। আজ পেশাদার লিগে আবাহনী ও ফর্টিস গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি হবে। কুমিল্লা শহীদ ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত স্টেডিয়ামে ম্যাচটি হবে। প্রথম লেগে দুই দলের ম্যাচ ড্র ছিল। শিরোপা রেসে টিকে থাকতে হলে দুই দলেরই দরকার জয়। হারলেই পেছনে পড়ে যাবে। যারা জিতবে কিংসের সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে থাকবে। তাই ড্র হলে লাভটা হবে কিংসেরই। আগামীকাল তারা ব্রাদার্স ইউনিয়নকে হারাতে পারলেই আবাহনী ও ফর্টিসের চেয়ে পাঁচ পয়েন্টে এগিয়ে থাকবে। কিংসের এখনো আবাহনী, মোহামেডান ও পুলিশের সঙ্গে খেলা বাকি রয়েছে। তাই আজ যদি আবাহনী জিতে যায় কিংস নিঃসন্দেহে চাপে থাকবে। এর মধ্যে দুটি ম্যাচই তাদের প্রতিপক্ষের মাঠে খেলতে হবে। যাকে চ্যালেঞ্জই বলা যায়। প্রথম লেগে কিংস হেরে যায় পুলিশের কাছে। আবাহনীর বিপক্ষে ড্র ও মোহামেডানকে কোনোক্রমে হারিয়ে ছিল।
অবস্থাদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে লিগ যত ছোট হয়ে আসছে ততই উত্তাপ বাড়ছে। নাটকীয়তা কোথায় গিয়ে ঠেকে বলা মুশকিল। তবে আজকের ম্যাচটি শুধু আবাহনী বা ফর্টিস নয়, কিংসের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। এখানে যে বড় ম্যাচেই ফ্যাক্টর হবে তা কিন্তু নয়। ছোট দলও বড়দের হোঁচট দিতে পারে। শেষ পর্যন্ত কার ঘরে ট্রফি যাবে বলা মুশকিল। একটা কথা না বললেই নয়, আবাহনী এখন দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছে। কিংসকে তাই হিসাব-নিকাশ করেই এগোতে হবে।