পঞ্চগড়ে জেলা প্রশাসকের অনুমতিপত্র জালিয়াতি করে করতোয়া সোলার লিমিটেড এর জমি রেজিস্ট্রেশন,তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। এবিষয়ে ৩০ জুন তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে জেলা প্রশাসক বরাবরে পত্র দেন।তবে জেলা প্রশাসন দেড় মাসেও কোম্পানিটির বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি।
এর আগে গত বছরের ৪ জানুয়ারি দৈনিক ইনকিলাব ও ২০২৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশ ২৪ অনলাইন ডটকম এ, জেলা প্রশাসকের অনুমতিপত্র জালিয়াতি করে করতোয়া সোলার লিমিটেড এর জমি রেজিস্ট্রেশন বিষয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
সংবাদটি জেলা প্রশাসনের নজরে আসলে তৎকালীন জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর আমিনুল ইসলাম তারেক গত বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারী স্বাক্ষরিত তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রতিবেদন দিতে বলেন।
সংবাদে বলা হয়েছিল,পঞ্চগড়ে জেলা প্রশাসকের জমি ক্রয়ের অনুমতিপত্র জালিয়াতি করে ৪৫ বিঘা জমি রেজিস্ট্রি করেছে করতোয়া সোলার লিমিটেড নামের একটি কোম্পানি। তেঁতুলিয়া উপজেলার ময়নাগুড়ি এলাকার শেখগছ মৌজায় দীর্ঘদিন ধরে এমন জালজালিয়াতি করার অভিযোগ স্থানীয়দের।
নিয়ম অনুযায়ী কোন কোম্পানি জমি ক্রয় করতে হলে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের অনুমতির আদেশ বাধ্যতামূলক। কিন্তু করতোয়া সোলার লিমিটেড ২০২১ সালের ২৬ জানুয়ারিতে নেওয়া জেলা প্রশাসকের অনুমতিপত্র জালিয়াতি করে ২০২৪ সালে জমি রেজিস্ট্রির কাজ সম্পাদন করে নিয়েছে। ২০২১ সালের ওই অনুমতিপত্রে কয়েকটি শর্ত ছিল। এর মধ্যে একটি ছিল এক বছরের মধ্যে জমি ক্রয় সম্পাদন করতে হবে। আরেকটি হচ্ছে অকৃষি জমি কিনতে হবে। কিন্তু জমি ক্রয়ে জালিয়াতির আশ্রয় ও দুই ফসলি জমি ক্রয় করেছে করতোয়া সোলার লিমিটেড।