আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বন্দরের পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালে (পিসিটি) সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের যুগ্ম পরিচালক সাগর সেন। চালানটি গত ১০ জুলাই চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর পর প্রায় এক মাসেও বিল অব এন্ট্রি দাখিল করা হয়নি বলেও জানান তিনি। নিলামের মাধ্যমে পণ্য খালাসের চেষ্টা করা হচ্ছিল—এমন তথ্যের ভিত্তিতে চালানটি পরীক্ষা করা হয়।
কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, জাপান থেকে একটি ৪০ ফুট কনটেইনারে ১৬৭ প্যাকেজে ৮ হাজার ১৮ কেজি পণ্য আমদানি করা হয়। পণ্যগুলো ‘পুরোনো গাড়ির যন্ত্রাংশ ও গিয়ারবক্সসহ ব্যবহৃত পেট্রল ইঞ্জিন’ হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কনটেইনারে তিন স্তরে পণ্য সাজানো ছিল। সামনের দিকে রাখা হয়েছিল গাড়ির যন্ত্রাংশ। সেগুলোর আড়ালে পাওয়া যায় লেক্সাস ও বিএমডব্লিউর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো, ঢাকার ক্রাউন অটোমোবাইল সার্ভিসেস জাপান থেকে এই গাড়িগুলো আমদানি করে। এর আগে মোংলা বন্দর থেকে একই আমদানিকারকের মিথ্যা ঘোষণায় আনা বিলাসবহুল গাড়ির চালান আটক করা হয়।