ঘটনা হলো, ২০২৪ সালের শেষ দিকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা থাকাকালে ড. আসিফ নজরুলের হেয়ার রোডের সরকারি বাংলো থেকে তাঁর ছোট মেয়ের একটি পোষা ছাগল উধাও হওয়ার ঘটনা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।
শোনা যাচ্ছিল, রাষ্ট্রপতির পদ থেকে মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে অপসারণে এনসিপির নেতারা জোরালো দাবি করেছিলেন। কিন্তু আসিফ নজরুল নাকি তাতে বাধ সেধেছিলেন।
সেই কারণে এনসিপির নেতারা তাঁর ওপর ক্ষুব্ধ হন। রাগের চোটে তাঁরা তাঁর একটি ছাগল জবাই করে খেয়ে ফেলেন এবং একটি ছাগলের গলায় ‘চুপ্পুর অপসারণ চাই’ লেখা কাগজ ঝুলিয়ে রেখে যান।
ওই সময় একটি টক শো’তে সাংবাদিক খালেদ মুহিউদ্দীনের সঙ্গে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কথা হচ্ছিল। হুবহু কথাগুলো ছিল—
নাসীরুদ্দীন : আসিফ স্যারের ছাগল খাওয়া হইছে রান্নাবান্না করে। এটা আমি শুনেছি।
খালেদ মুহিউদ্দীন: সিরিয়াসলি? সিরিয়াসলি? আপনারা আসিফ নজরুলের ছাগল রান্নাবান্না করে খায়া ফেলছেন? এটা কি তাকে শিক্ষা দিতে? ইয়া করতে? মানে, কী করতে? আমি তো ভাবছিলাম এটা রেটোরিক্যাল।