ইরানের ওপর হামলার মাধ্যমে নিজের লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে দাবি করে ট্রাম্প ওভাল অফিস থেকে সাংবাদিকদের জানান, আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র সেখান থেকে বিদায় নেবে। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন যে সেখানে মার্কিন সেনাদের থাকার আর কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই।
এদিকে ব্রিটিশ নৌবাহিনীকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করতে জাহাজ না পাঠানোয় তিনি ব্যঙ্গ করে রয়্যাল নেভিকে ‘বড় ও ফালতু নৌবাহিনী’ বলে উপহাস করেন। এর আগে ট্রাম্পও ব্রিটিশ বিমানবাহী রণতরিগুলোকে ‘খেলনা’ বলে উপহাস করেছিলেন।
নৌবাহিনীর সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার যথেষ্ট কারণও রয়েছে। ইরানের সঙ্গে যখন উত্তেজনার সূত্রপাত হয়, তখন ব্রিটেনের ছয়টি ডেস্ট্রয়ারের মধ্যে চারটিই মেরামত কাজের জন্য অকেজো পড়েছিল। সাইপ্রাসের বিমানঘাঁটি রক্ষায় ব্যর্থ হওয়ায় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীরও সমালোচনা করা হচ্ছে। এ ছাড়া ন্যাটোর বাধ্যবাধকতা রক্ষায় উত্তর আটলান্টিকে জার্মানির কাছ থেকে যুদ্ধজাহাজ ধার করতে বাধ্য হয়েছে ব্রিটেন।