গত ২৮ আগস্ট এই ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালে আসেন হাজেরা বেগম। পরীক্ষা করালে ডেঙ্গু ধরা পড়ে। হাসপাতালে শয্যা খালি না থাকায় তাঁরা বাসায় ফিরে যান। ৩০ তারিখ রাতে বেশি অসুস্থ হলে রাতেই হাসপাতালে ছুটে আসেন।
হাজেরা বলেন, ‘মেয়ের বাসায় নিয়ে রাখছিলাম। রোববার বমি করতে করতে বাথরুমে অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেছে। আবার এইখানে নিয়ে আসছি। তারপর ভর্তি করছে।’
হাজেরা বেগম গৃহকর্মীর কাজ করেন। এ পর্যন্ত ছেলের চিকিৎসায় ৮–৯ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ছেলের অসুস্থতার কথা শুনে গতকাল দুই হাজার টাকা ধার করে হাসপাতালে এসেছেন। বললেন, ‘কত খরচ! অনেক চাপ যাইতেছে। এখন ধারদেনা কইরা এই চিকিৎসা চালাইতেছি।’
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত পরিবারের অন্য চারজন বাড়িতে থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছেন। বড় ছেলে হাবিব মিয়ার শারীরিক অবস্থা খারাপ জানিয়ে বলেন, তাঁকেও বোধ হয় হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে।