২ ইনিংসে ৮৪ রান। সিরিজের প্রথম ম্যাচে ফিফটির পর তৃতীয় ম্যাচে ৩৩ রানের ইনিংস খেলেছেন। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৩ ম্যাচের (দ্বিতীয় ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত) টি-টোয়েন্টি সিরিজে তাওহীদ হৃদয় এমন পারফর্ম করে হয়েছেন সিরিজসেরা। এর প্রভাব পড়েছে আইসিসি টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়েও। বাংলাদেশ দলের এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান ২ ধাপ এগিয়ে র্যাঙ্কিংয়ের ৩৭তম অবস্থানে আছেন।
অধিনায়ক লিটন দাসও উন্নতি করেছেন। মিরপুরে সিরিজের শেষ ম্যাচে ২৬ রানের ইনিংস খেলা লিটন র্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ এগিয়েছেন। বর্তমান টি-টোয়েন্টি ব্যাটসম্যানদের তালিকায় তার অবস্থান ৫২তম। এই তালিকার শীর্ষে যথারীতি রাজত্ব করছেন ভারতের ওপেনার অভিষেক শর্মা। কিউইদের বিপক্ষে বল হাতে ভালো সময় কাটানো টাইগার বোলাররাও আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে বড় পুরস্কার পেয়েছেন। নিয়ন্ত্রিত বোলিং আর ধারাবাহিক সাফল্যের ফল হিসেবে স্পিনার মেহেদী হাসান এক ধাপ এগিয়ে উঠে এসেছেন তালিকায় ১৭ নম্বরে।
তবে র্যাঙ্কিংয়ের তালিকাতে সবচেয়ে বড় চমক দেখিয়েছেন বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলাম। এই বাঁহাতি পেসার একলাফে ৯ ধাপ টপকে বোলারদের তালিকায় এখন ৫৪তম অবস্থানে। সিরিজের কঠিন সময়ে ব্রেকথ্রু এনে দেওয়া আর মিতব্যয়ী বোলিং শরীফুলকে এই বড় লাফ দিতে সাহায্য করেছে। নিউজিল্যান্ড সিরিজে না খেলায় বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান এক ধাপ পিছিয়েছেন, তার অবস্থান ১২তম। অন্যদিকে ১০ ধাপ এগিয়ে ৫১ নম্বরে উঠে এসেছেন নিউজিল্যান্ড পেসার বেন সিয়ার্স। আর ৪ ধাপ এগিয়ে ৮৮তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন লেগ স্পিনার ইশ সোধি। টি-টোয়েন্টিতে ১৬৫ উইকেট নেওয়া সোধি এখন নিউজিল্যান্ডের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি।
টি-টোয়েন্টি বোলারদের মধ্যে আগের মতোই সবার ওপরে আফগানিস্তানের তারকা লেগ স্পিনার রাশিদ খান। আর ব্যাটসম্যানদের তালিকায় যথারীতি চূড়ায় ভারতের আভিশেক শার্মা। অলরাউন্ডারদের র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ আগের মতোই জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজা।