ইরানের বন্দরগুলো থেকে জাহাজ চলাচল বন্ধ করতে এবং দেশটিকে একটি যুদ্ধবিরোধী চুক্তিতে বাধ্য করতে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া নৌ-অবরোধের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। মার্কিন প্রশাসন অঙ্গীকার করেছিল যে নির্দিষ্ট সমঝোতায় না আসা পর্যন্ত ইরানের কোনো জাহাজ বন্দর ত্যাগ করতে পারবে না, তবে বিশ্লেষকদের পর্যবেক্ষণ এবং জাহাজ ট্র্যাকিং ডেটা এই অভিযানের সাফল্য নিয়ে একটি জটিল চিত্র ফুটিয়ে তুলছে।

শিপিং জার্নাল লয়েডস লিস্ট ইন্টেলিজেন্সের বিশ্লেষক ব্রিজেট ডায়াকুন বার্তা সংস্থা এএফপি-কে জানিয়েছেন, মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া তথ্যের অসামঞ্জস্যতা এবং তথ্য প্রকাশে বিলম্বের কারণে এই অবরোধের পরিধি ও কার্যকারিতা নিয়ে এক ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। ফলে মার্কিন এই অপারেশন আদতে কতটা সফল হচ্ছে, তা পরিমাপ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

বিভিন্ন সামুদ্রিক সংস্থা কর্তৃক বিশ্লেষণ করা স্যাটেলাইট ইমেজ এবং ট্র্যাকিং তথ্যে দেখা গেছে, অসংখ্য জাহাজ বর্তমানে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করছে। এর মধ্যে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা ইরানি পতাকাবাহী জাহাজ যেমন রয়েছে, তেমনি অনেক জাহাজকে ইরানের বন্দরে যাতায়াত করতেও দেখা গেছে।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ইরান কি সত্যিই পরমাণু বোমা ব্যবহার করবে?

ইরান কি সত্যিই পরমাণু বোমা ব্যবহার করবে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, পারস্য উপসাগরে প্রবেশের পর অনেক জাহাজ তাদের ট্র্যাকিং সিস্টেম বা ট্রান্সপন্ডার ‘স্পুফিং’-এর মাধ্যমে নিজেদের প্রকৃত অবস্থান লুকিয়ে ফেলছে। এমনকি সমুদ্রের মাঝখানে এক জাহাজ থেকে অন্য জাহাজে ইরানি তেল স্থানান্তরের মতো কর্মকাণ্ডও চলছে বলে খবর পাওয়া গেছে। 

এ ধরনের ছায়া কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ইরান ও তার সহযোগী জাহাজগুলো মার্কিন নৌ-অবরোধের শর্তগুলোকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে, যা ওয়াশিংটনের এই কঠোর পদক্ষেপের সফলতা নিয়ে বড় ধরনের সংশয় সৃষ্টি করেছে।

সূত্র: আলজাজিরা।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews