সোনাল দিনুশার সেঞ্চুরি ও পাসিন্দু সুরিয়াবন্দরার ৯২ রানের লড়াকু ইনিংসেও দ্বিতীয় টেস্টে ভারতকে চাপে ফেলতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। ফলোঅনে পড়ে দিন শেষে ৬ উইকেটে ২২৯ রান করেছে স্বাগতিকেরা। ভারতের চেয়ে তাদের লিড মাত্র ১৬ রান।
দিনের শুরুতে ৮ উইকেটে ২৬৫ রান নিয়ে ব্যাট করতে নামা শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংসে শেষ পর্যন্ত অলআউট হয় ২৯০ রানে। ভারতের চেয়ে পিছিয়ে ছিল ২১৩ রানে। আগের দিনের ৮৫ রানে অপরাজিত দিনুশা এদিন তুলে নেন সিরিজে নিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। ১০৩ রানে তাঁর ইনিংস থামান সারাংশ জৈন। লাহিরু কুমারার উইকেটটিও নেন এই অফ স্পিনার।
ফলোঅনে নেমে শুরুটা ভালোই করে শ্রীলঙ্কা। কামিল মিশারার সঙ্গে ৫৮ রানের জুটি গড়েন সুরিয়াবন্দারা। মিশারা ৩২ রানে ফিরলেও এরপর কামিন্দু মেন্ডিসকে নিয়ে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেন সুরিয়াবন্দারা। দুজন মিলে গড়েন ১১৬ রানের জুটি। সুরিয়াবন্দারা তুলে নেন ম্যাচের দ্বিতীয় ফিফটি, আর কামিন্দুও ভারতের বিপক্ষে নিজের প্রথম টেস্ট ফিফটি করেন।
চা-বিরতিতে ৩ উইকেটে ১৯৯ রান করে শ্রীলঙ্কা তখন ভারতের লিড প্রায় মুছে ফেলেছে। সুরিয়াবন্দারা ছিলেন ৯০ রানে।কিন্তু শেষ সেশনে আবারও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় ভারত। মেন্ডিসকে ৫৫ রানে ফিরিয়ে দেন প্রসিধ কৃষ্ণ। এরপর অধিনায়ক ধনঞ্জয়া ডি সিলভা ১৬ রানে সাউথারের শিকার হন। দারুণ খেলতে থাকা সুরিয়াবন্দরাও ৯২ রানে সাউথারের বলে স্টাম্পড হয়ে ফেরেন। এরপর নিরোশান ডিকভেল্লাকে এলবিডব্লিউ করে শ্রীলঙ্কার ষষ্ঠ উইকেটটি তুলে নেন সারাংশ।
আলো কমে আসার সঙ্গে বৃষ্টি শুরু হলে নির্ধারিত সময়ের আগেই দিনের খেলা শেষ হয়। দিনুশা ও কেশারা নুয়ান্থা অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ভারত: ৫০৩/৯ ডি.শ্রীলঙ্কা: ২৯০ ও ২২৯/৬ (সুরিয়াবন্দারা ৯২, মেন্ডিস ৫৫; সাউথার ২/৮১)শ্রীলঙ্কা এগিয়ে ১৬ রানে।শেষ দিনে ভারতের প্রয়োজন মাত্র ৪ উইকেট; শ্রীলঙ্কার সামনে লক্ষ্য একটাই—যতটা সম্ভব লিড বাড়িয়ে টেস্ট বাঁচানো।