প্রবাসীদের জন্য দূতাবাস ও হাইকমিশনগুলোকে আরও জনবান্ধব হতে হবে বলে মনে করেন আবু আহমেদ। তিনি বলেন, বিমানবন্দরে প্রবাসী শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের হয়রানি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো রেমিট্যান্সের একটি বড় অংশ ধনী পরিবারের সন্তানদের বিদেশে পড়াশোনার খরচ মেটাতে দেশ থেকে চলে যায়। এ ক্ষেত্রে বিদেশে পড়াশোনার জন্য অর্থ নেওয়া ব্যক্তিদের নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দেশে ফেরত আনার বিষয়ে আইন করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
শ্রমিক পাঠানোর ব্যবসা করতে হলে তাঁদের ঘামের অর্থ থেকে কতটুকু নেওয়া ন্যায্য, তা বিবেচনা করতে হবে। অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয়ের কারণে অনেক শ্রমিক বিদেশে গিয়ে কয়েক বছরেও ঋণের টাকা তুলতে পারেন না। শ্রমবাজার ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন এনে এ পরিস্থিতি থেকে তাঁদের মুক্ত করতে হবে, বলেন আসাদুজ্জামান রিপন।
সরকার নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে লাইসেন্স দেয়। তাহলে বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে তাদের সরাসরি কাজের সুযোগ দেওয়া হবে না কেন, সেই প্রশ্ন তোলেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি বলেন, একটি নির্দিষ্টসংখ্যক এজেন্সির মাধ্যমে শ্রমিক পাঠানোর ব্যবস্থা না করে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ও সক্ষম সব এজেন্সিকে সুযোগ দেওয়া উচিত।