আসন্ন ঈদ ঘিরে নাট্যপ্রেমীদের মধ্যে বাড়ছে আগ্রহ। আর সেই আগ্রহের কেন্দ্রে রয়েছে নতুন নাটক ‘মায়াপাখি’। বিশেষ করে ‘মনদুয়ারী’ এবং ‘মেঘবালিকা’র পর একই টিমের তৃতীয় কাজ হওয়ায় দর্শকদের আগ্রহ যেন কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। আগের দুটি নাটক দর্শকমহলে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাওয়ায় ‘মায়াপাখি’ নিয়েও প্রত্যাশা এখন তুঙ্গে। নাটকটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন জাকারিয়া সৌখিন। প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় জুটি অপূর্ব ও নীহা। নির্মাতার ভাষ্য অনুযায়ী, আগের দুটি নাটকের মতো এবারও গল্পের মূল উপজীব্য সম্পর্ক, তবে উপস্থাপন ও গল্প বলার ধরনে থাকছে একেবারেই ভিন্নতা। তিনি জানান, দর্শক যেভাবে গল্পটি কল্পনা করছেন, বাস্তবে তা হবে সম্পূর্ণ অন্যরকম। প্রতিটি মোড়ে থাকবে চমক, থাকবে আবেগের প্রবল ধাক্কা। আর শেষ দৃশ্য পর্যন্ত পৌঁছানোর পর দর্শকের মনে তৈরি হবে গভীর এক ঘোর, যা সহজে কাটবে না। গল্পে দেখা যাবে মায়া নামের এক সাধারণ মেয়েকে। তার সাজসজ্জা কিংবা জীবনযাপন যেন হুমায়ূন আহমেদের গল্পের চিরচেনা নায়িকাদের মতো-বেণি করা চুল, কপালে ছোট্ট টিপ, চোখে কাজল আর সহজ-সরল ব্যক্তিত্ব। এই সরলতাতেই মুগ্ধ হয়ে তার প্রেমে পড়ে সাদাত। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সম্পর্কের ভিতর জটিলতা বাড়তে থাকে, আর সেখান থেকেই গল্প মোড় নেয় এক ভিন্ন পরিণতির দিকে। গল্পের বিষয়ে এর বেশি কিছু এখনই জানাতে রাজি নন নির্মাতা জাকারিয়া সৌখিন। পুরো বিষয়টিকেই তিনি দর্শকদের জন্য সারপ্রাইজ হিসেবে রাখতে চান। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যারা নিয়মিত আমার নাটক দেখেন, তাদের জন্য এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন স্বাদের কিছু নিয়ে আসছি।’ নাটকটি নিয়ে দারুণ আশাবাদী অভিনেতা অপূর্বও। তিনি বলেন, ‘মায়াপাখি’ এমন একটি গল্প, যা দেখার পর দর্শকের মনে দীর্ঘ সময় রেশ থেকে যাবে। গল্পের প্রতিটি অনুভূতি দর্শককে নাড়া দেবে। শেষ পর্যন্ত পৌঁছে কেউই আবেগ এড়িয়ে যেতে পারবে না।’ অন্যদিকে অভিনেত্রী নীহা জানান, এই নাটকটি তার অভিনয় জীবনের অন্যতম চ্যালেঞ্জিং কাজ। তিনি বলেন, ‘মায়াপাখি’তে আমি এমন একটি চরিত্রে অভিনয় করেছি, যা আগে কখনো করা হয়নি। দর্শক আমাকে একেবারে নতুনভাবে দেখতে পাবে। কাজটি নিয়ে আমি ব্যক্তিগতভাবেও ভীষণ এক্সাইটেড।’ সবকিছু ঠিক থাকলে আসন্ন ঈদে সিএমভির ব্যানারে মুক্তি পাবে বহুল প্রতীক্ষিত নাটক ‘মায়াপাখি’।