মূলত ফারাক্কা বাঁধের কারণে শুষ্ক মৌসুমে পানির যে সংকট দেখা দেয়, তা থেকে কিছুটা রেহাই পেতে প্রকল্পটি প্রস্তুত করা হয়েছে বলে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। সে জন্য কয়েক দশকের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পদ্মা ব্যারাজ নামের প্রকল্পটি পাসের অপেক্ষায় আছে।
পরিকল্পনা কমিশনের কৃষি, পানিসম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের আওতায় প্রকল্পটির চূড়ান্ত প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়েছে। এ বিভাগের সদস্য (সচিব) মো. মাহমুদুল হোসাইন খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘ফারাক্কা বাঁধের কারণে পানির অভাবে আমাদের বিস্তীর্ণ এলাকা শুকিয়ে গেছে। তাপমাত্রাও বেড়ে গেছে। নিশ্চিতভাবেই এ বাঁধের মাধ্যমে সেটার প্রভাব কিছুটা কাটিয়ে ওঠা যাবে। এখানে পানি জমিয়ে আমরা সারা বছর সরবরাহ করতে পারব।’
প্রকল্পটি অবস্থা জানতে চাইলে মাহমুদুল হোসাইন খান বলেন, ‘আমরা আমাদের কাজ শেষ করে প্রকল্পটি একনেকের জন্য পাঠিয়েছি। এখন সরকার এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।’