হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ৩০ দিনের মধ্যে নতুন শুল্ক কার্যকর হবে। এমনিতেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কানাডার সম্পর্ক ভালো নয়, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যযুদ্ধের অন্যতম প্রধান লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে কানাডা। তার ওপর নতুন এই শুল্কের ফলে উত্তর আমেরিকার দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বাণিজ্য উত্তেজনা আরও বেড়ে যাবে বলেই শঙ্কা।
যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (ইউএসএমসিএ) আওতায় এ পণ্য আছে কি না, তা এই শুল্ক আরোপের সময় বিবেচনা করা হয়নি। অর্থাৎ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আওতায় থাকুক বা না থাকুক, এ শুল্ক দিতেই হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া বিবৃতিতে কার্নি বলেন, ‘ইউএসএমসিএর সরাসরি লঙ্ঘন করে যুক্তরাষ্ট্র যে একতরফা পদক্ষেপগুলো নিয়ে আসছে, এটি তার সর্বশেষ উদাহরণ।’
এদিকে কার্নি কানাডার সার্বভৌমত্বের প্রতি ‘হুমকির’ বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প যে কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য হওয়ার কথা বলেছিলেন, সম্ভবত সে প্রেক্ষাপটে কার্নি এ কথা বলেছেন।