প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিক প্রযুক্তির বিনিময়ে একযোগে কাজ করার লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ 'ডিক্লারেশন অব ইনটেন্ট' বা ইচ্ছাপত্র স্বাক্ষর করেছে সৌদি আরব ও ফ্রান্স। নিজ নিজ প্রতিরক্ষা খাতের সামর্থ্য বাড়াতে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর এই চুক্তির অনুমোদন দেওয়া হয়।
সৌদি আরবের ভিশন ও দ্বিপক্ষীয় কৌশলগত বন্ধুত্বের নতুন ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে এই সমঝোতাকে। রিয়াদে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর উপস্থিতিতে এই ঐতিহাসিক নথিতে সই করা হয়। নিজ নিজ দেশের পক্ষে এতে স্বাক্ষর করেন সৌদির প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান এবং ফরাসি সশস্ত্র বাহিনী ও ভেটেরানবিষয়ক মন্ত্রী ক্যাথরিন ভোত্রাঁ।
সংবাদমাধ্যম সৌদি গ্যাজেট জানিয়েছে, চুক্তিটির প্রধান উদ্দেশ্য হলো আধুনিক সমরাস্ত্র ও উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার যৌথ উন্নয়ন ঘটানো। এর আওতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সাইবার নিরাপত্তা, যৌথ সামরিক প্রশিক্ষণ ও পেশাগত শিক্ষা খাতে প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা শেয়ারের পথ উন্মুক্ত হবে।
আরও পড়ুন
এই চুক্তি কেবল দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষাই জোরদার করবে না, বরং মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্ব রাজনীতিতে রিয়াদের পরিবর্তিত কৌশলের ইঙ্গিত বহন করছে। ইতিপূর্বে সৌদি আরব তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে 'ন্যাটো স্টাইলের' ত্রিপক্ষীয় একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করে, যেখানে এক দেশের ওপর আক্রমণকে সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনার সুযোগ রাখা হয়। তা ছাড়া ১৪টি দেশ নিয়ে একটি সামুদ্রিক সমুদ্র জোট গঠনের পর ফ্রান্সের মতো ইউরোপীয় শক্তির সঙ্গে এই প্রতিরক্ষা চুক্তি সৌদির কৌশলগত অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে।
আরটিভি/এআর