সৈয়দ রেজা-ই-মাহমুদ মুঠোফোনে বলেন, পত্রিকা খুললেই দেখা যায় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যুর খবর। বিশেষত চরাঞ্চলের গ্রামগুলোতে বজ্রপাতের ঝুঁকি বেশি। তাই কৃষকদের জন্য ভালো কিছু করার আগ্রহ থেকে এই কৃষক ছাউনি নির্মাণ করা হয়েছিল। রোদে কিংবা বৃষ্টির সময় কৃষকেরা ছাউনিতে বসে খেতেও পারেন। সে সময় কৃষক ছাউনি নির্মাণে প্রকল্প তৈরি করে কৃষি অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছিল। তবে তা আর আলোর মুখ দেখেনি।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, ২০২০ সালের মার্চ মাসে শিবরাম গ্রামের ফাঁকা জায়গায় এই কৃষকের ছাউনি নির্মাণ করা হয়। এতে ব্যয় হয় প্রায় ৩৮ হাজার টাকা। একই বছরের ৫ এপ্রিল ঘরের উদ্বোধন করেন গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের তৎকালীন সংসদ সদস্য শামীম হায়দার পাটোয়ারী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি উপজেলার মোট ১৫টি ইউনিয়নে অন্তত ৫০টি কৃষক ছাউনি নির্মাণে সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
জানতে চাইলে শিবরাম গ্রামের কৃষক আল আমিন (৪০) বলেন, ‘আগে বৃষ্টির সময় আমরা মাঠে ভয় নিয়ে কাজ করেছি। আগে আকাশ ডাকলে কোথায় যাবার উপায় ছিল না। এখন আমরা ওই ঘরে আশ্রয় নিচ্ছি।’