জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ রোববার বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে হামলার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আলোচনার জন্য কিছুটা সময় দিতে চান।
বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে হরমুজ প্রণালির গুরুত্ব অপরিসীম। যুদ্ধ শুরুর আগে বৈশ্বিক তেল ও গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হতো। এই কৌশলগত নৌপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা চলছে।
বিশ্লেষকদের মতে, তেলের দাম কম থাকলে বিষয়টি ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য রাজনৈতিকভাবে স্বস্তিদায়ক হতে পারে। কেননা মধ্যবর্তী নির্বাচনের আর অল্প কিছুদিন বাকি, রিপাবলিকান পার্টি কংগ্রেসের দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার লড়াইয়ে আছে।
বাজার বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, তেলের দাম আরও কমবে—এমন প্রত্যাশা এখনই করা ঠিক হবে না। হরমুজ প্রণালি এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। এর পাশাপাশি ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী ও সৌদি আরবের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা লোহিত সাগর দিয়ে জ্বালানি পরিবহন আরও জটিল করে তুলতে পারে।
আরবিসি ক্যাপিটাল মার্কেটসের বৈশ্বিক পণ্যকৌশল বিভাগের প্রধান হেলিমা ক্রফট বলেন, ‘খবরের প্রভাবে বাজারে বিক্রির চাপ দেখা দিলেও হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল দ্রুত স্বাভাবিক হবে, আমরা তা মনে করি না। এর সঙ্গে এখন লোহিত সাগরের সংকটও নতুন করে যোগ হয়েছে।’