ফেনী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শিক্ষক সমিতির সভাপতি জি এম তাজউদ্দিন বলেন, নারী শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে রাতে মোরশেদকে আটক করে পুলিশের কাছে দেওয়া হয়েছিল। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ কোনো মামলা বা লিখিত অভিযোগ না দেওয়ায় পুলিশ তাঁকে আবার কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে।
তিনি বলেন, রাতেই অভিযুক্ত শিক্ষার্থী নারী শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা চেয়ে ফেসবুকে দেওয়া পোস্টটি মুছে দেন। পরে ক্ষমা চেয়ে নতুন করে আরেকটি পোস্ট দেন।
শিক্ষক সমিতির সভাপতি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবনের কথা বিবেচনা করে তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তবে অভিযোগের বিষয়ে আজ মঙ্গলবার সকালে একাডেমিক কাউন্সিল সভায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কলেজের নিরাপত্তার স্বার্থে তদন্ত কমিটির সিদ্ধান্তের আলোকে আদিবকে অন্য কোনো পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হবে।
অভিযোগের বিষয়ে ফেনী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ রেজাউল করিমের বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।