ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-৪ ও পাবনা-৪ আসনে কারচুপির অভিযোগ এনে হাইকোর্টে আবেদন করেছে বিএনপির দুই প্রার্থী। আবেদনে এই দুই আসনের ভোট পুনর্গণনা চাওয়া হয়েছে।
রোববার বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী আপিল ট্রাইব্যুনাল আবেদনগুলো শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন। একইসঙ্গে দুই আসনের নির্বাচনী সরঞ্জামাদি ইসিকে হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি ওই আসনগুলোর বিজয়ী প্রার্থীকে নোটিশ দিয়েছেন আদালত। আগামী ১১ মে আবেদনগুলো শুনানির দিন ধার্য রেখেছেন আদালত। আদালতে বিএনপির প্রার্থীদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী হাবিবুর রহমান।
আদেশের বিষয়ে ব্যারিস্টার কাজল বলেন, রাজশাহী-৪ আসনে জামায়াত প্রার্থী আব্দুল বারীর বিরুদ্ধে কারচুপির অভিযোগ এনেছেন সেখানে বিএনপির পরাজিত প্রার্থী জিয়াউর রহমান। আর পাবনা-৪ আসনে জামায়াত প্রার্থী আবু তালেব মণ্ডলের বিরুদ্ধে কারচুপির অভিযোগ করেছেন ওই আসনের বিএনপির পরাজিত প্রার্থী হাবিবুর রহমান।
শুনানি শেষে দুই আসনের ব্যালট পেপার ও ফলাফল শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দেন। হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১১ মে দিন ঠিক করা হয়েছে। গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনি অনিয়মের বিরুদ্ধে আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনি আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে।
রাজশাহী-৪ আসনে জাময়াতের প্রার্থী আব্দুল বারীর বিরুদ্ধে কারচুপির অভিযোগ এনেছেন ওই আসনের বিএনপির পরাজিত প্রার্থী জিয়াউর রহমান। অপরদিকে পাবনা-৪ আসনে জামায়াতের প্রার্থী বিজয়ী আবু তালেব মন্ডলের বিরুদ্ধে কারচুপির অভিযোগ এনেছেন ওই আসনের বিএনপির পরাজিত প্রার্থী হাবিবুর রহমান।