(প্রথম পর্ব)
বর্তমানে যেকোনো দেশের অথনৈতিক উন্নয়নে, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে ও জাতীয় প্রবৃদ্ধিতে পর্যটন শিল্প গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের প্রতিবেশী ও পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ভারত, নেপাল, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর প্রভৃতি দেশ পর্যটন শিল্প থেকে যে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে, তা একমাত্র নেপাল ছাড়া অন্যান্য রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে আমাদের পুরো রফতানি আয়ের কয়েকগুণ বেশি। উন্নত রাষ্ট্র যেমনÑ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ইতালি, জার্মানি, জাপান প্রভৃতি দেশে পর্যটন শিল্প বিভিন্নমুখী সমৃদ্ধি অর্জনে সহায়ক বিধায় এর বিকাশে প্রতিনিয়ত গুরুত্বারোপ করে। এমনকি সার্কভুক্ত দ্বীপরাষ্ট্র মালদ্বীপের পুরো অর্থনীতির ভিত রচিত হয়েছে পর্যটন শিল্প ঘিরে।

একটি রাষ্ট্রের পর্যটন শিল্প বিকাশে প্রধান নিয়ামক ওই দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, উন্নত রেল, সড়ক, নৌ ও বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থা ও পর্যটন শিল্পসংক্রান্ত নীতিমালা। পর্যটন শিল্পের বিকাশ বেগবান করতে উন্নত দেশগুলো রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় কোনো গেস্ট হাউজ, সার্কিট হাউজ বা রেস্ট হাউজ রাখে না। ফলে উন্নত রাষ্ট্রগুলোর প্রতিটি জেলা শহরে উন্নতমানের আবাসন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সংবলিত হোটেল গড়ে ওঠে। উন্নত রাষ্ট্রগুলোতে কোনো রাষ্ট্রীয় অতিথি ভ্রমণে গেলে সবসময় নিজ নিজ মর্যাদাসম্পন্ন হোটেলে আবাসন ও দ্বিপক্ষীয় সভার ব্যবস্থা করা হয়। একইভাবে উন্নত দেশগুলোর সরকারি-বেসরকারি কোনো কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণে বর্তমানে কোনো প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট স্থাপন করা হয় না। এসব দেশের সব স্তরের কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ একমাত্র পর্যটন শিল্পের বিকাশে হোটেলে আয়োজন করা হয়। সেখানে আবাসনেরও ব্যবস্থা করা হয়।

উন্নত দেশগুলোর বিভিন্ন কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের বর্তমানে প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের পরিবর্তে প্রশিক্ষণ সেল প্রশিক্ষণ-সংক্রান্ত সব কার্যক্রম প্রণয়ন ও পরিচালনা করে থাকে। এর মূল কারণ, প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট স্থাপন, পরিচালন ও এর রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়বহুল এবং তাতে ভূমির অপচয় হয়। রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় সার্কিট হাউজ ও বিভিন্ন গেস্ট হাউজের নিয়ন্ত্রণ এবং প্রতিটি বিভাগের নিজস্ব প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট স্থাপন আমাদের পর্যটন শিল্প বিকাশে প্রধান অন্তরায়।

সুলভ পরিবহন পর্যটন শিল্প বিকাশের একটি পূর্বশর্ত। উন্নত দেশে মন্ত্রী ছাড়া কোনো সরকারি কর্মকর্তা রাষ্ট্রের সরবরাহকৃত চালকসহ যানবাহন সুবিধাপ্রাপ্ত হন না। আমাদের জেলা শহরের বিভাগীয় প্রধান এবং ঢাকা শহরের যুগ্মসচিব থেকে সচিব ও সমমর্যাদার কর্মকর্তারা সরকারের সরবরাহকৃত চালকসহ যানবাহন পান। তাই এখনো ঢাকা ছাড়া জেলা শহরে ভালো ট্যাক্সিক্যাব সার্ভিস গড়ে ওঠেনি। এই সরকারি সুবিধা প্রত্যাহার করে প্রাধিকারপ্রাপ্তদের কিস্তিতে যানবাহন সরবরাহ করে যুক্তিসঙ্গত ভাতা দিলে ঢাকাসহ প্রতিটি জেলা শহরে আরো প্রতিযোগিতামূলকভাবে ট্যাক্সিক্যাব সার্ভিসের প্রসার ঘটবে, যা প্রকারান্তরে পর্যটন শিল্পে উন্নয়ন সহায়ক হবে।

দেশী-বিদেশী পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে বাংলাদেশের আছে বালুময় সমুদ্রসৈকত, পাহাড় আবৃত ভূ-ভাগ, বিশাল জলরাশি সমৃদ্ধ হাওর, সামুদ্রিক দ্বীপ, উপকূলীয় প্রাকৃতিক বনাঞ্চল, প্রাচীন বৌদ্ধযুগীয় নিদর্শন, হিন্দু ও মুসলিমদের বিভিন্ন তীর্থস্থান এবং মধ্যযুগীয় মোগল স্থাপনা।

বাংলাদেশে সরকারিভাবে যে সংস্থাটি পর্যটন শিল্প বিকাশে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেটি বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন। বর্তমানে সংস্থাটির কার্যক্রম কয়েকটি হোটেল ও মোটেল পরিচালনা এবং গাইড ট্যুর আয়োজনে সীমাবদ্ধ। যে আশা ও উদ্দেশ্য নিয়ে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল, তা অর্জন করতে না পারায় এর কার্যক্রম সঙ্কুচিত করে কয়েকটি হোটেল ও মোটেল ভাড়ার ভিত্তিতে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

এ শিল্প বিকাশের সম্ভাবনা মাথায় রেখে বিভিন্ন বেসরকারি উদ্যোক্তা পর্যটনের দিক থেকে আকর্ষণীয় শহরে-স্থানে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত হোটেল স্থাপন করেছেন। মানের বিচারে এসব হোটেলকে দুই বা তিন তারকা হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। এরূপ গোটা ত্রিশেক হোটেল আছে কক্সবাজারে। বাংলাদেশের একমাত্র সামুদ্রিক দ্বীপ সেন্টমার্টিনে এমন চার-পাঁচটি হোটেল আছে। এ ছাড়া কুয়াকাটায় একটি এবং খুলনায় দু’-তিনটি আছে।

বাংলাদেশের রফতানি বাণিজ্যের প্রসার ঘটায় এবং এখানে বিভিন্ন রফতানি প্রক্রিয়াজাত এলাকায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিদেশী শিল্প-কারখানা স্থাপিত হওয়ায় ইদানীং বিদেশীদের আগমন বেড়েছে। অপ্রতুল পর্যটন সুবিধায় এসব বিদেশী ঢাকা ও চট্টগ্রামে ব্যবসায়-সংক্রান্ত কার্য সমাধার পর পর্যটনের দৃষ্টিকোণ থেকে সম্ভাবনাময় কোনো এলাকা ভ্রমণে যেতে তেমন আগ্রহী হন না। তাই পর্যটনকে শিল্পের মর্যাদা দিলে এবং এর বিকাশে সরকারি-বেসরকারি সংস্থা সমানভাবে এগিয়ে এলে এটি আমাদের জন্য সম্ভাবনার অপার দ্বার উন্মোচন করতে পারে। বর্তমানে আমাদের অভ্যন্তরীণ জাতীয় সম্পদে পর্যটন শিল্পের অবদান প্রায় ৩ শতাংশ। এটি ৬ শতাংশে উন্নীত করা গেলে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে লক্ষাধিক কর্মসংস্থান হতে পারে, যা অর্থনীতির সূচককে প্রতিটি ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বমুখী করবে।

বাংলাদেশের পর্যটনের দৃষ্টিকোণ থেকে আকর্ষণীয় স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম কক্সবাজারের ১১০ মাইল ব্যাপৃত বিস্তীর্ণ বালুময় সমুদ্রসৈকত। সমুদ্র স্নান করতে সারা বছর কক্সবাজারে বিপুলসংখ্যক পর্যটকের আগমন ঘটে। কক্সবাজার শহরের কাছে হিমছড়ি সৈকত পর্যটনের দিক থেকে অত্যন্ত আকর্ষণীয়। কক্সবাজারে বেড়াতে এসে অনেক পর্যটক হিমছড়ি সৈকত পরিদর্শন করেন। যদিও অনেক পর্যটক হিমছড়িতে রাত যাপনের আগ্রহ ব্যক্ত করেন। কিন্তু মানসম্মত কোনো হোটেল না থাকায় তা হয়ে ওঠে না। এখানে বন বিভাগের ব্যবস্থাধীন সমুদ্রের কোল ঘেঁষে পাহাড়ে নির্মিত বিশ্রামাগার থেকে সমুদ্রের সৌন্দর্য অবলোকনের সুযোগ আছে। পাহাড়ে আরোহণে আছে পাকা সিঁড়ির ব্যবস্থা। পর্যটকদের আগমনের পর পাহাড়ের চূড়ায় আরোহণ করে পশ্চিম দিকে সুবিশাল সমুদ্রের দৃশ্য এবং পূর্বদিকে সারি সারি পাহাড়ের দৃশ্য দেখতে যান। পর্যটকের আগমনের সংখ্যা বিবেচনায় নিলে এখানে চার-পাঁচটি দুই-তিন তারকা হোটেল নির্মাণ ব্যবসায়িক দৃষ্টিকোণ থেকে সফল হবে।

হিমছড়ি থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরত্বে আরেকটি অত্যন্ত মনোরম সমুদ্রসৈকত আছে। সৈকতটির নাম ইনানী। এখানে বালুময় সমুদ্রসৈকতে বিক্ষিপ্তভাবে বেশ কিছু মাঝারি আকৃতির প্রবাল পাথর আছে। এই পাথরে ভাটার সময় সমুদ্রের পানি আছড়ে পড়ার দৃশ্য উপভোগ করতে পর্যটকরা এসে থাকেন। এখানে সমুদ্রতীরে বন বিভাগের একটি রেস্ট হাউজ ছাড়া রাত যাপনের অন্য কোনো সুবিধা নেই। বন বিভাগের রেস্ট হাউজটি সরকার নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় বেসরকারি পর্যটকরা এর সুবিধা নিতে পারেন না। এ সমুদ্রসৈকতটিও হিমছড়ির অনুরূপ পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত। এখানে পর্যটকের উপস্থিতি সন্তোষজনক বিধায় পাঁচ-ছয়টি দুই-তিন তারকা হোটেল নির্মাণের অবকাশ আছে।

কক্সবাজারের সর্ব দক্ষিণের টেকনাফ মিয়ানমারের আরাকান প্রদেশের সীমান্তবর্তী। এই জনপদ নাফ নদী দিয়ে মিয়ানমার থেকে বিচ্ছিন্ন। কক্সবাজার থেকে যে সড়কটি টেকনাফ অবধি বিস্তৃত এটির বেশ কিছু অংশ নাফ নদী থেকে এক হাজার ফুট উচ্চতায় পাহাড়ের কোলঘেঁষে ধীরে ধীরে টেকনাফ শহরের দিকে নেমে গেছে। এই স্থান থেকে নাফ নদী পরিদর্শন অভূতপূর্ব একটি বিষয়। এখানে আসা একাধিক ইউরোপীয় পর্যটক যারা নাফ নদী থেকে টেকনাফের সৌন্দর্য দেখেছেন তাদের মতে, এই সৌন্দর্য অতুলনীয়, যা পৃথিবীর সেরা সৌন্দর্যের একটি। টেকনাফে বর্তমানে সড়ক ও জনপথ বিভাগের একটি এবং বন বিভাগের আরেকটি রেস্ট হাউজ আছে। উভয় রেস্ট হাউজ বেশ মানসম্পন্ন। তাছাড়া এখানে বিভিন্ন মানের একাধিক হোটেল আছে। এখানে পর্যটক ছাড়াও সীমান্ত বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ব্যবসায়ীর আগমন ঘটে।

বাংলাদেশের একমাত্র সামুদিক দ্বীপ সেন্টমার্টিনের দূরত্ব টেকনাফ থেকে ৩৫ কিলোমিটার। প্রতি বছর নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে মার্চের মাঝামাঝি টেকনাফ হয়ে প্রতিদিন দুই হাজার পর্যটক সেন্টমার্টিন যান। এই পর্যটকদের মধ্যে নগণ্যসংখ্যক বিদেশী। সেন্টমার্টিনে জাহাজ ও ট্রলারে যাওয়ার ব্যবস্থা আছে। উভয় প্রকারের যানবাহনে যাওয়া ও আসায় তিন ঘণ্টা সময় লাগে। শীতকালে স্পিডবোট ও দেশী ইঞ্জিন বোটে সেন্টমার্টিন যাওয়া যায়। সমুদ্র উত্তাল থাকায় এপ্রিল থেকে অক্টোবর পর্যন্ত সেন্টমার্টিনে কোনো পর্যটক আসেন না।

সেন্টমার্টিনের আয়তন ছেঁড়াদ্বীপসহ আট বর্গকিলোমিটার। দ্বীপটি একটি প্রবাল দ্বীপ। এর তীর থেকে স্বচ্ছ পানির দিকে তাকালে দেখা যায় সারি সারি পাথরের স্তূপ ক্রমশ নিচে নেমে গেছে। দ্বীপটির ভূ-প্রাকৃতিক গঠন থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার সামুদ্রিক দ্বীপ এবং আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের সমপ্রকৃতির। দ্বীপটিতে বর্তমানে প্রায় পাঁচ হাজার অধিবাসী বসবাস করেন। দ্বীপটিকে একক পর্যটন এলাকা ঘোষণা করে দ্বীপের বাসিন্দাদের অন্যত্র সরিয়ে অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করলে হাজার হাজার বিদেশী পর্যটকের আগমনের পথ সুগম হবে; যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার বাড়াবে। অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার করবে।

কক্সবাজার শহরের সন্নিকটে মহেশখালী দ্বীপ। এখানে আছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান আদিনাথ মন্দির। মন্দিরটি মৈনাক পাহাড়ে অবস্থিত। প্রতি বছর ফাল্গুনে শিব চতুর্দশী উপলক্ষে এখানে বসে সপ্তাহব্যাপী বিরাট মেলা। এ সময় ভারত থেকেও প্রচুর তীর্থযাত্রীর আগমন ঘটে। আদিনাথ মন্দির থেকে প্রতি বছর যে আয় হয় তা যথাযথভাবে ব্যয় করলে এটি আরো আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। এ ছাড়াও এ মন্দির সম্পর্কে প্রচারমাধ্যমে সঠিকভাবে তুলে ধরা গেলে ভারত এবং আমাদের দেশ থেকে অধিক হারে তীর্থযাত্রীর দ্বীপটিতে মন্দির দর্শনে আসবে। দ্বীপটির সর্বোচ্চ পাহাড়ের চূড়ায় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী রাখাইনদের একটি মঠ আছে। প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক রাখাইন মঠ পরিদর্শনে এখানে আসেন। কক্সবাজার থেকে স্পিডবোটে মহেশখালী যেতে সময় লাগে ২০ মিনিট। কক্সবাজার ও মহেশখালীর মধ্যে ক্যাবল কারে সংযোগ স্থাপন করলে পর্যটনের দিক থেকে উভয় এলাকা আরো আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। এ খাতে বিনিয়োগ দেশীয় উদ্যোক্তাদের দ্রুত বিনিয়োগকৃত অর্থ তুলে নিতে সহায়ক হবে।

কক্সবাজার শহর থেকে ৫৬ কিলোমিটার দূরত্বে কুতুবদিয়া দ্বীপের অবস্থান। দ্বীপটির অদূরে গভীর সমুদ্রবন্দর (ডিপ সি-পোর্ট) নির্মাণের প্রক্রিয়া চূড়ান্তপ্রায়। গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মিত হলে নিকটবর্তী স্থলভাগ হিসেবে এর আকর্ষণ বহুগুণ বাড়বে। বিদেশী নাগরিকদের চিত্তবিনোদনের সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করলে দ্বীপটি বিপুলসংখ্যক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ তৈরি করবে।

কক্সবাজার শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরত্বে রামু উপজেলার রামকোটে একটি বৌদ্ধ বিহার আছে। এটি সম্রাট অশোকের শাসনামলে প্রায় দুই হাজার বছর আগে নির্মিত হয়েছে। এছাড়া এর পার্শ্ববর্তী পাহাড়ে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শিবমন্দির ও তীর্থধাম। শিব মন্দিরটি ৫০০ বছরের অধিক পুরনো। উভয় ধর্মের বিপুলসংখ্যক তীর্থযাত্রী প্রতি বছর উভয় তীর্থস্থান ভ্রমণ করে থাকেন। রামকোটের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অপরূপ যা পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে সহায়ক। এখানে উন্নত সুযোগ-সুবিধা সংবলিত দু’-একটি হোটেল বা রেস্ট হাউজ নির্মাণের অবকাশ আছে।

লেখক : সাবেক জজ এবং সংবিধান, রাজনীতি ও অর্থনীতি বিশ্লেষক

[email protected]



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews