দেশব্যাপী নিষিদ্ধআওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে গণঅধিকার পরিষদ। সোমবার রাত ৮টায় গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে, পল্টন মোড়, প্রেসক্লাব সামনে ঘুরে গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয়ের সামনে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন বলেন,‘নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ যেভাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ২ হাজার মানুষকে হত্যা করেছে তেমনইভাবে আওয়ামী লীগ যদি আবার মানুষের ক্ষতি করার চেষ্টা করে, বাসে অগ্নিসংযোগ করে,নৈরাজ্য করে তাহলে বাংলার মাটি থেকে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নাম চিরতরে মুছে ফেলা হবে।’
তিনি বলেন, ‘এই নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ পুলিশকে হুমকি দিচ্ছে, আওয়ামী লীগ কি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কথা ভুলে গেছে? আওয়ামী লীগ গণঅভ্যুত্থানে যে গণহত্যা চালিয়েছিল, তাদেরকে এই দেশের মানুষ কোনো দিন ফিরতে দেবে না। আওয়ামী লীগ একটা জঙ্গি সংগঠন, তাদের রাজনীতি করার কোনো অধিকার নাই। ২৩ তারিখ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে যদি কোনো নৈরাজ্য করে তাহলে আমরা তা প্রতিহত করব।’
হাসান আল মামুন বলেন, ‘আওয়ামী লীগের প্রশ্নে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তি ঐক্যবদ্ধ রয়েছে। আওয়ামী লীগের নিরীহ কর্মী যারা আরামে আছেন তারা কোনো উসকানিতে পা দিয়েন না, বিদেশে পলাতক নেতাদের কথায় উসকানিতে পা দিলে শান্তিতে থাকতে পারবেন না।’ এ সময় হাসান আল মামুন আগামীকাল মঙ্গলবার সারাদেশে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ বলেন, ‘আওয়ামী লীগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গণহত্যা চালিয়েছিল। আওয়ামী লীগ কোনো রাজনৈতিক দল, এটা একটা সন্ত্রাসী সংগঠন। ইতোমধ্যে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা আছে। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ আগামীকাল সারাদেশে সন্ত্রাসী কার্যক্রম করার জন্য গোপন প্রস্তুতি নিচ্ছে, এই বিষয়ে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে। পাশাপাশি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তিকেও মাঠে থাকতে হবে। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অপতৎপরতা রুখতে আগামীকাল সারাদেশে গণঅধিকার পরিষদ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা রাজপথে থাকবে।’
গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট নিজামউদ্দিনের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি নাজমুল হাসান, শ্রমিক অধিকার পরিষদের সভাপতি আব্দুর রহমান, যুব অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক সবুজ সেরনিয়াবাত, মহানগর দক্ষিণের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল করিম শাকিল প্রমুখ।