যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ৩০১ ধারার অধীন দুটি পৃথক তদন্ত শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে—একটি বৈশ্বিক শিল্প খাতে অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতা নিয়ে এবং অন্যটি জোরপূর্বক শ্রম নিয়ে। এতে বোঝা যায়, বাণিজ্যনীতির ক্ষেত্রে ওয়াশিংটন আরও কঠোর অবস্থানে গেছে।
বাংলাদেশের জন্য এসব পদক্ষেপ দূরবর্তী ভূরাজনৈতিক অঙ্গভঙ্গির চেয়ে অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ণ। এগুলো দেশের রপ্তানি মডেলের মূল ভিত্তির সঙ্গে সম্পর্কিত। আরও সুরক্ষাবাদী বৈশ্বিক পরিবেশে বর্তমান বাণিজ্যকৌশল কতটা টেকসই হবে, তা নিয়ে অস্বস্তিকর প্রশ্ন তোলে।
প্রথম তদন্তটি হচ্ছে কথিত অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতাকে কেন্দ্র করে। মনে হয়, ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের শিল্প উৎপাদন পুনরুজ্জীবিত করার যে বৃহত্তর প্রচেষ্টা হাতে নিয়েছে, এটি তারই অংশ। সেই তালিকায় বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি তাৎপর্যপূর্ণ।