ইইউর প্রাক্কলন অনুযায়ী, ইউরোপে প্রতিবছর বাজারে আসা মোট পোশাকের ৪ থেকে ৯ শতাংশ বিক্রি হওয়ার আগেই ধ্বংস করে ফেলা হয়। এর কারণে প্রতিবছর বায়ুমণ্ডলে প্রায় ৫৬ লাখ টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গত হয়, যা ২০২১ সালে পুরো সুইডেনের বার্ষিক নিট নির্গমনের সমান।

এই ক্ষতি ঠেকাতে গত ১৯ জুলাই বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অবিক্রীত পণ্য ধ্বংসের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠানে ২৫০ জনের বেশি কর্মী এবং বার্ষিক লেনদেন অন্তত ৫ কোটি ইউরো, তারা আর ফেরত আসা বা অবিক্রীত পোশাক ফেলনা হিসেবে ফেলে দিতে বা পোড়াতে পারবে না। ২০৩০ সাল থেকে মাঝারি আকারের কোম্পানিগুলোও এই আইনের আওতায় আসবে। তবে ক্ষুদ্র ও অতিক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানগুলো আপাতত বিধিনিষেধের বাইরে থাকছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, পণ্য ধ্বংসের আগে কোম্পানিগুলোকে তিনটি বিকল্প বেছে নিতে হবে—
১. মূল্যছাড় দিয়ে বিক্রি করা; ২. দাতব্য বা সামাজিক প্রতিষ্ঠানে দান করা; এবং ৩. মেরামত বা সংস্কার করে পুনরায় ব্যবহারের উপযোগী করা।

স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তাঝুঁকি, আইনি অসামঞ্জস্য, মেধাস্বত্ব লঙ্ঘন বা মারাত্মক ত্রুটির মতো বিশেষ কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া পণ্য ধ্বংস করা যাবে না। আর এসব ব্যতিক্রমী ক্ষেত্রে পাঁচ বছর পর্যন্ত নথিপত্র সংরক্ষণ, ৩০ দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা এবং বার্ষিক প্রকাশ্য প্রতিবেদনে বর্জ্যের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews