জানতে চাইলে শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জালাল সিদ্দিকী বলেন, ‘দোকানি সবার কাছে বলে বেড়াচ্ছেন, আমি টাকা বাকি রেখেছি। তাঁর কথা শোনার পর আমি নিজের মেজাজ হারিয়ে ফেলি। কিন্তু তাঁকে আমি মারধরও করিনি, দোকান ভাঙচুরও করিনি; বরং আমি ঘটনার জন্য তাঁর কাছে গিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছি।’
ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় বলেন, ‘ওই দোকানি অভিযোগ করে বলেছিলেন, ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা খাবার খেয়ে টাকা দেন না। এ সময় দোকানি জালাল নামের একজনের কাছে ৩০ টাকা পাওনার কথা জানান। আমরা বিষয়টি দেখার আশ্বাস দিই। এরপর আমরা চলে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর দোকানে ভাঙচুরের খবর পাই।’