অনুষ্ঠানভেদে গান নির্বাচনেও থাকে ভিন্নতা। গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে বিয়ের গীত, আবার স্কুল-কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফোক ও ব্যান্ড গানের মিশেল—সব জায়গাতেই নিজেদের মতো করে পরিবেশনা সাজিয়ে নেন তাঁরা। দলটির একটি স্লোগানও আছে—‘কবিতা আর বাংলা গানে, মন ভাসুক ভাটি কিংবা উজানে’।
দলের মূল ভোকালিস্ট সোবহানী বাপ্পী বলেন, ‘অন্যরকম কিছু করতে চেয়েছি আমরা। প্রতিনিয়ত ভাঙা-গড়ার মধ্য দিয়ে নিজেদের তৈরি করছি। এখন পর্যন্ত দর্শকের যে সাড়া পাচ্ছি, তা আমাদের জন্য খুবই আশাব্যঞ্জক। আমাদের কয়েকটি মৌলিক গান রয়েছে, সংখ্যাটা বাড়ানোর চেষ্টা করছি।’
দলের অন্যতম সদস্য কনক কুমার পাল বলেন, ‘এটা সত্যি যে এক শ্রেণির মানুষ ছাড়া সাধারণ দর্শক কবিতা শুনতে খুব একটা আগ্রহী নয়। কিন্তু আমাদের পরিবেশনায় কবিতাও দর্শকের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। এ কাজটা দেশ-বিদেশের আরও দর্শকের কাছে পৌঁছে দিতে চাই।’ শেষে জোর দিয়ে বলেন, ‘আমরা সবাই বগুড়া থিয়েটার ও কলেজ থিয়েটারের নাট্যকর্মী—থিয়েটারই আমাদের মূল পরিচয়।’