ভূমিকম্পের পর প্রথম ৭২ ঘণ্টাকে সাধারণত জীবিত মানুষ উদ্ধারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় বলা হয়। তবে এটিকে জীবনের জন্য কোনো কঠোর শেষসীমা ভাবা ঠিক নয়। ধ্বংসস্তূপে বাতাসের প্রবাহ, পানির প্রাপ্যতা, আবহাওয়া, আঘাতের ধরন এবং আটকে পড়া ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে দীর্ঘ সময় পরও জীবিত উদ্ধারের নজির রয়েছে। তবু সময় যত অতিক্রান্ত হয়, সম্ভাবনা তত কমে এবং উদ্ধার তত কঠিন হয়।

বিদেশি দলকে নিজ দেশ থেকে প্রস্তুত হয়ে বিমানযোগে আসতে হয়। এরপর অবতরণ, ইমিগ্রেশন, কাস্টমস, সরঞ্জাম ছাড়, নিবন্ধন, ব্রিফিং, দায়িত্ব বণ্টন এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছানোর প্রক্রিয়া রয়েছে। বিমানবন্দর, সড়ক কিংবা যোগাযোগব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হলে এই বিলম্ব আরও বাড়ে। ফলে সবচেয়ে মূল্যবান প্রাথমিক সময়টিতে উদ্ধার করেন স্থানীয় মানুষ—প্রতিবেশী, স্বেচ্ছাসেবক, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, সশস্ত্র বাহিনী, চিকিৎসাকর্মী এবং স্থানীয় প্রশাসন।

অর্থাৎ বড় দুর্যোগে প্রথম উদ্ধারকারী কোনো বিদেশি বিশেষজ্ঞ নন; প্রথম উদ্ধারকারী প্রায় সব সময়ই একজন প্রতিবেশী।

জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা কমে গেলে দুর্যোগের মানবিক দায়িত্বও শেষ হয় না। বরং তখন শুরু হয় আরও কঠিন, বেদনাদায়ক এবং মানসিকভাবে চাপপূর্ণ একটি পর্যায়। ধ্বংসস্তূপের নিচে থাকা মরদেহ সময়ের সঙ্গে পচে, বিকৃত বা খণ্ডিত হতে পারে। সেগুলো নিরাপদে উদ্ধার, পরিচয় নির্ধারণ, সংরক্ষণ এবং পরিবারের কাছে সম্মানজনকভাবে হস্তান্তর করা অত্যন্ত জটিল কাজ।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews