ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর হিসাব অনুযায়ী, এই বছর ঈদুল ফিতরকে ঘিরে বাজারের আকার ২ লাখ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে। যদি তাই হয় শুধু পোশাক খাতেই প্রায় ১ লাখ কোটি টাকার বিক্রি হবে। খুচরা পোশাক ব্যবসার প্রায় ৬০ শতাংশ বার্ষিক বিক্রি দুই ঈদকে কেন্দ্র করে সম্পন্ন হয়। রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবু ইউসুফ মনে করেন, ‘সারা বছর যে পরিমাণ খাবার ও অন্যান্য পণ্যের বেচাকেনা হয়, এর প্রায় ৪০ শতাংশ হয় ঈদের সময়। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের বার্ষিক আয়ের ৪০ শতাংশ আসে ঈদ উৎসবে।’

অর্থাৎ একটি মাস পুরো বছরের খুচরা অর্থনীতিকে টেনে নেয়। কিন্তু এই বিপুল চাহিদার কতটা দেশীয় উৎপাদনে ধরা পড়ে? কসমেটিকস, খেলনা, গিফট আইটেম, ইলেকট্রনিক্স, ফ্যাশন অ্যাকসেসরিজএ-সবের বড় অংশই আমদানি-নির্ভর। ফলে বাজার বড় হলেও শিল্পভিত্তি শক্ত হয় না। এখানে মুল সমস্যা আমাদের লজিস্টিকসের। কারন দেশে উৎপাদিত পোশাক অন্য দেশের থেকে খরচ বেশি পড়ে। সাথে আমাদের ক্রিয়েটিভিটি কম বলে আধুনিক ডিজাইনে পিছিয়ে। ভারতে 'মেক ইন ইন্ডিয়া' ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ঈদ ও দিওয়ালির মৌসুমে দেশীয় পণ্যকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। বাংলাদেশেও 'মেড ইন বাংলাদেশ' ব্র্যান্ডিংকে উৎসব মৌসুমের সাথে কৌশলগতভাবে যুক্ত করা দরকার।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews