অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এ ধরনের প্রবণতার বৃদ্ধি ও সরকারের নিষ্ক্রিয়তার সমালোচনা করা হয়েছে। কিন্তু অন্তত সেই সরকার এসব ঘটনার ক্ষেত্রে একটা বিবৃতি দিয়ে নিন্দা জানাত। এমনকি উল্টো ঘটনারও নজির আছে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জয়পুরহাটে মাঠে ‘তৌহিদি জনতা’র ব্যানারে স্থানীয় একটা গোষ্ঠীর ভাঙচুরের পর নারীদের ফুটবল ম্যাচ বাতিল হয়ে গিয়েছিল।

এরপর প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে নারীদের ফুটবল ম্যাচ ফের আয়োজন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। ভাঙচুরের ঘটনায় সেখানে গণশুনানির আয়োজন করা হয়, যাঁরা ভাঙচুর করেছিলেন, তাঁরা পরে জানিয়েছিলেন, ফুটবল ম্যাচ আয়োজনে আর বাধা দেবেন না। এরপর হাজারো দর্শকের উপস্থিতিতে জয়পুরহাটের মাঠে খেলার আয়োজন করা হয়। এই ছোট ঘটনা আসলে প্রমাণ করে, সরকার চাইলে বা সক্রিয় হলে দমন-পীড়নের তরিকা পরিহার করেও এসব আয়োজন চালু রাখতে পারে।

কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, নির্বাচিত সরকার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে বরং বাতিল করা এবং যারা বাতিল করছে, তাদেরকে বৈধতা প্রদানের দিকেই মনোযোগ দিচ্ছে।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews