মতবিনিময়ের সময় নায়াব ইউসুফ আহমেদ বলেন, ‘আমি শুনেছি, এখানে জমি রেজিস্ট্রি হয়, সাবরেজিস্ট্রি অফিসে। আমি গতকাল শুনলাম, ওখানে যাঁরা চাকরি করেন, তাঁরা প্রান্তিক পর্যায়ের গরিব-দুঃখী মানুষের কাছ থেকে অনেক টাকা নিয়ে থাকেন। প্রতিদিন সেখানে হাজার হাজার জমি রেজিস্ট্রি হয়। যেখানে ২০০ টাকার নেওয়ার কথা, সেখানে বেশি টাকা নেওয়া হয় এবং এখানে এই টাকা নাকি ভাগাভাগি হয়। এটা খুব দুঃখের বিষয়।’
ফরিদপুরে অনেক উন্নয়ন হবে জানিয়ে বিএনপির এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘কিন্তু প্রতিটা উন্নয়নে দেখি দুর্নীতি। আমার খুব কষ্ট লাগে। প্রতিটি ক্ষেত্রে, প্রতিটি সেক্টরে আমি দেখছি দুর্নীতি। আসলে এগুলো আমি সহ্য করতে পারি না।’ তিনি আরও বলেন, ‘ফরিদপুরের বিএনপিতে এগুলো হবে না। আমি যত দিন আছি, আমার কাজ অন্যায়কে ন্যায়ে প্রতিস্থাপন করা। আমি একটি সুন্দর ফরিদপুর চাই। শান্তি ও নিরাপদ চাই; এখানে কেউ চাঁদাবাজি করবে না, সন্ত্রাস থাকবে না।’