সহকর্মী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে আবদুল আলিমের চাচা মোজাম্মেল হোসেন বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত ইয়ার্ডে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা ছিল না। গ্যাস নির্গমনের সময় যথাযথ উদ্ধার পরিকল্পনা ও দ্রুত সবাইকে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থাও ছিল না। ঘটনাস্থল থেকে বের হওয়ার প্রধান ফটকটি ছিল তালাবদ্ধ। ফলে অকালেই এতগুলো প্রাণ ঝরে গেছে। ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের পরিবারের দায়িত্ব নেওয়া কোম্পানিটির ওপরই বর্তায়।
এদিকে গত শুক্রবারের ওই ঘটনার পর শনিবার সকাল ৬টার দিকে আবদুল আলিমের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়। তাঁর লাশ একনজর দেখতে পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও গ্রামবাসী বাড়িটিতে ভিড় জমান। নেমে আসে শোকের ছায়া। গতকাল সকাল ১০টায় জানাজা শেষে গ্রামের কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়।