যুক্তরাষ্ট্রের ২৩ বছর বয়সী ট্রাকচালক অ্যানেল ভিলেগাস বলেন, ব্যয় এখন অনেকটা বেড়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমি সাধারণত ট্যাংকে অর্ধেক তেল ভরি। আগে যেখানে ৫০-৬০ ডলারে হয়ে যেত, এখন সেখানে লাগছে ৭০–৮০ ডলার।’ তিনি বলেন, খরচ কমাতে গাড়ি কম চালানোর চেষ্টা করছেন। কিন্তু জীবিকার জন্য যা করার তা করতেই হচ্ছে, অর্থাৎ বেশি খরচ মেনে নিতে হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে গ্যাসোলিনের দাম বেড়েছে ২১ দশমিক ২ শতাংশ, ১৯৬৭ সালে হিসাব রাখা শুরু হওয়ার পর যা সর্বোচ্চ মাসিক বৃদ্ধি। একই সময়ে ভারী তেলের দাম ৩০ শতাংশের বেশি বেড়েছে, ২০০০ সালের পর সবচেয়ে বেশি।

ক্যালিফোর্নিয়ার মতো অঙ্গরাজ্যগুলোয় এর প্রভাব আরও বেশি, যেখানে আগে থেকেই জ্বালানির দাম তুলনামূলক বেশি। গত বৃহস্পতিবার সেখানে প্রতি গ্যালন গ্যাসের গড় দাম ছিল ৫ দশমিক ৯৩ ডলার, যেখানে জাতীয় গড় ৪ দশমিক ১৬ ডলার।

ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির প্রায় তিন-চতুর্থাংশের উৎস জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়া। একই সঙ্গে বিমানভাড়া ও পোশাকের দামও বেড়েছে; উচ্চ জ্বালানি ব্যয় ও শুল্কের বৃদ্ধির জেরে তা হয়েছে। খাদ্যপণ্যের দাম স্থির থাকলেও বিশ্লেষকেরা সতর্ক করেছেন, পরিবহন খরচ ও সারের দাম বেড়ে যাওয়ায় ভবিষ্যতে খাদ্যপণ্যের দামও বাড়তে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ইভেলিন পার্টনার্সের আরিয়েল ইনগ্রাসিয়া বলেন, এ মুহূর্তে যা ঘটছে তা হলো জ্বালানিনির্ভর মূল্যস্ফীতির ফিরে আসে, যদিও বিষয়টি এখনো পুরো অর্থনীতিতে গভীরভাবে প্রোথিত হয়নি। তিনি সতর্ক করেন, জ্বালানির দাম বেশি হলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার প্রভাব আরও বিস্তৃত হতে পারে।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews