তিন ব্যাটারের ঝড়ো হাফ-সেঞ্চুরিতে রানের পাহাড় গড়ে ওমানকে উড়িয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসরে টানা দ্বিতীয় জয়ের স্বাদ পেল শ্রীলঙ্কা।
আসরের ‘বি’ গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ওমানকে ১০৫ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে লঙ্কানরা। ২২৫ রানের পাহাড় গড়ে তারা ওমানকে আটকে দেয় ১২০ রানে।
কুশাল মেন্ডিস ৬১, পাভান রত্নানায়েকে ৬০ ও অধিনায়ক দাসুন শানাকা ৫০ রান করেন।
নিজেদের প্রথম ম্যাচে আয়ারল্যান্ডকে ২০ রানে হারিয়েছিল লঙ্কানরা। দুই ম্যাচের দু’টিতেই হারল ওমান।
পাল্লেকেলেতে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৪২ রানে ২ উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। দুই ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা ১৩ ও কামিল মিশারা ৮ রানে থামেন।
এরপর তৃতীয় উইকেটে রত্নানায়েকের সাথে ৫২ বলে ৯৪ এবং চতুর্থ উইকেটে শানাকাকে নিয়ে ২৮ বলে ৬৮ রান যোগ করেন কুশল মেন্ডিস। ৭টি চারে ৪৫ বলে কুশল ৬১, ৮টি চার ও ১টি ছক্কায় রত্নানায়েকে ২৮ বলে ৬০ এবং ২টি চার ও ৫টি ছক্কায় ২০ বলে ৫০ রান করেন শানাকা।
শেষ দিকে কামিন্দু মেন্ডিসের ৭ বলে অনবদ্য ১৯ রানে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২২৫ রানের বড় সংগ্রহ পায় শ্রীলঙ্কা। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় রান লঙ্কানদের। সর্বোচ্চ রানের বিশ্ব রেকর্ডের মালিক শ্রীলঙ্কা। ২০০৭ সালে জোহানেসবার্গে কেনিয়ার বিপক্ষে ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ২৬০ রান করেছিল তারা।
জবাব দিতে নেমে ৭৯ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে লড়াই থেকে ছিটকে যায় ওমান। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১২০ রান করে ম্যাচ হারে তারা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৩ রান করেন মোহাম্মদ নাদিম।
শ্রীলঙ্কার দুসমন্থ চামিরা ও মহেশ থিকশানা ২টি করে উইকেট নেন। ২৮ বলে ৬০ রানের ইনিংসে ম্যাচ সেরা হন রত্নানায়েকে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
শ্রীলঙ্কা : ২০ ওভারে ২২৫/৫ (নিসাঙ্কা ১৩, মিশারা ৮, কুসাল মেন্ডিস ৬১, রাত্নায়েকে ৬০, শানাকা ৫০, কামিন্দু মেন্ডিস ১৯*, ওয়েলালাগে ৬*; ফায়সাল ৪-০-২৮-০, ওদেদ্রা ১-০-১৪-১, ওয়াসিম ৩-০-৩৩-০, সুফিয়ান ৪-০-৬০-১, নাদিম খান ৪-০-৪০-০, জিতেন ৪-০-৪১-২)।
ওমান: ২০ ওভারে ১২০/৯ (কালিম ৬, জিতেন্দার ১, হাম্মাদ ৯, মোহাম্মাদ নাদিম ৫৩*, ওয়াসিম ২৭, ভিয়ানায়ক ১, জিতেন ০, নাদিম খান ২, সুফিয়ান ১, ফায়সাল ১, ওদেদ্রা ৪*; চামিরা ২-০-১৯-২, থিকসানা ৪-০-১১-২, পাথিরানা ৩-০-১১-০, ওয়েলালাগে ৪-০-১৭-১, শানাকা ১-০-৬-০, হেমান্থা ৪-০-৪৫-১, কামিন্দু ২-০-১০-১)।
ফল: শ্রীলঙ্কা ১০৫ রানে জয়ী।
ম্যান অব দা ম্যাচ: পাভান রাত্নায়েকে।