লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতা ক্রমে বাড়ছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে গত মার্চ মাসে গঠিত আমেরিকাস কাউন্টার-কার্টেল কোয়ালিশনের (এসিসিসি) ছত্রচ্ছায়ায় মার্কিন বাহিনী মাদক পাচারের সন্দেহে বিভিন্ন জলযানে হামলা চালাচ্ছে। একই সঙ্গে মার্কিন কর্মকর্তারা লাতিন আমেরিকার সামরিক বাহিনীগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক ও সহযোগিতা জোরদার করছেন।
এটি অঞ্চলটিতে ওয়াশিংটনের সামরিকীকরণ নীতি জোরদার করার একটি প্রতিফলন, বিশেষ করে যখন সেখানে বামপন্থী রাজনীতির প্রভাব হ্রাস পাচ্ছে। লাতিন আমেরিকার জন্য এর অর্থ হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের সেই পুরোনো বলপ্রয়োগকারী নীতির পুনরাবৃত্তি।
প্রতিনিধি পাঠানোর মাধ্যমে ক্ষমতার প্রদর্শন, সরাসরি মার্কিন সেনা উপস্থিতি কিংবা আঞ্চলিক ঘাঁটিগুলো ব্যবহারের মাধ্যমে মার্কিন সামরিক ক্ষমতার যে প্রসার ঘটছে, তা এ অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদার বা অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কোনো কাজে আসবে না। বরং এটি গণতন্ত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এবং সহিংসতা ও অস্থিরতাকে আরও উসকে দিতে পারে।