এই প্রতিবেদককে প্রায় রোজই ফোন করছেন কমল রায়। তাঁর আকুতি, ‘আমাদের কী হবে বলুন তো? আমরা কি বাদ পড়ে গেলাম? আমরা কী করব? কার কাছে যাব?’ কমলের এসব প্রশ্নের কোনো উত্তর নেই।
কমল রায় ছোটখাটো আসবাব ব্যবসায়ী, থাকেন কলকাতা থেকে বহু দূরে কোচবিহারে। ওই গ্রামের নিম্নবিত্তরাই যে শুধু বাদ পড়েছেন তা নয়, পশ্চিমবঙ্গ ও ভারতের বিখ্যাত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টের অধ্যাপক নন্দিতা রায়ও বাদ পড়েছেন। তাঁর বাবা ও ঠাকুরদা ভারতীয় বিমানবাহিনীতে ছিলেন।
নন্দিতা সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ডিসেম্বরে প্রকাশিত খসড়া তালিকায় তাঁর নাম ছিল। কিন্তু এসআইআরের পর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত প্রাথমিক তালিকায় তিনি দেখেন, তাঁর নাম ‘বিচারাধীন’ বিভাগে আছে। পরে তাঁর নামটি তালিকা থেকে মুছে ফেলা হয়েছে। প্রতিবাদে গত সপ্তাহে কলকাতার পার্ক সার্কাসে আয়োজিত এক গণসমাবেশে অংশ নিয়ে নন্দিতা বলেন, ‘আমি ছাত্রছাত্রীদের সামনে বলতেই বেশি অভ্যস্ত। কিন্তু বাধ্য হয়েই আমাকে এখানে আসতে হয়েছে।’