নেপাল ও চীনের সীমান্ত এলাকায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ধসের পর গঠিত একটি ‘ব্যারিয়ার লেক’ বা কৃত্রিম হ্রদের পানি উপচে নতুন করে মারাত্মক প্লাবনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আর এই বিপর্যয় বাড়ার ভয়ে নেপাল ও চীন উভয় দেশই তাদের উদ্ধার অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত বা বেশ কিছুটা ধীরগতি করতে বাধ্য হয়। তবে এরপরে আবার উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে।

তবে সব ধরনের ঝুঁকি মাথায় নিয়ে চীনের প্রথম পেশাদার উদ্ধারকারী দলটি অবশেষে সবচেয়ে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও বিচ্ছিন্ন এলাকা ‘গাইরং’ (Gyirong) পোর্টে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে। বিশাল ধস ও কাদার স্তর পুরো এলাকাটিকে ঢেকে ফেলায় প্রত্যক্ষদর্শীরা এটিকে “তরল কনক্রিট” (Liquid Concrete)-এর সাথে তুলনা করছেন।

কর্মকর্তারা জানান, তিব্বত অংশে ধসের ফলে নদীর গতিপথ অবরুদ্ধ হয়ে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২,৯৫০ মিটার উঁচুতে একটি বিশাল কৃত্রিম হ্রদ তৈরি হয়। পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির ফলে পানি বেড়ে লেকটি উপচে পড়তে শুরু করেছে, যার ফলে নতুন করে ধ্বংসাত্মক কাদা ও পাহাড়ি ধসের তীব্র ঝুঁকি দেখা দিয়েছে।

পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক হওয়ায় স্থানীয় উদ্ধারকর্মীদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তা সত্ত্বেও চীনের পেশাদার উদ্ধারকারী দল দুর্গম পথ অতিক্রম করে রাফট, ড্রোন এবং হেভি ইক্যুইপমেন্ট ব্যবহার করে গাইরং বন্দরে পৌঁছে আটকে পড়া মানুষকে উদ্ধারের আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

গত বুধবারের হিমবাহ ধস থেকে সৃষ্ট এ ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় ইতিমধ্যেই কয়েকশো মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং হাজারেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন, যার মধ্যে অনেক দেশি-বিদেশি পর্যটক ও ট্র্যাকারও রয়েছেন। নেপাল ও চীন উভয় পক্ষই যৌথভাবে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করে দুর্গম স্থানগুলোতে ত্রাণ পৌঁছানো ও জীবন রক্ষার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews