খবরটি শুনে বেশ ব্যথিত হয়েছি। এমন গুণী মানুষের প্রয়াণের কথা শুরুতেই নিয়ে গেল সেই ১৯৮৬-৮৭ সালের দিনগুলোতে। যখন বেশ কিছু সিনেমার জন্য অনেকগুলো গান প্রস্তুত করছিলাম। সেই সময়ে উপমহাদেশজুড়ে আলোচিত গায়িকা ছিলেন আশা ভোসলে। নানা ভাষায় একের পর এক গান গাইছেন। শ্রোতারা আশা ভোসলের গান বলতে যেন পাগল। কেনই–বা হবেন না, কারণ আশা ভোসলে ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী শিল্পী। এমন ভার্সেটাইল আর্টিস্ট আমি জীবনে আর দেখিনি। এমন কেউ হয়তো আর আসবেন না।
আমি পরিকল্পনা করি কীভাবে বাংলাদেশের সিনেমায় এমন উঁচু শিল্পীর গান ব্যবহার করা যায়। আমার পরিকল্পনা শুনে সিনেমার প্রযোজকও রাজি হন। তিনিও আশা ভোসলেকে দিয়ে গান করাতে চান। কিন্তু এমন গুণী শিল্পীকে ছোঁয়া কঠিন কাজ। তাঁর কাছে কীভাবে যাওয়া যায়, সেই পরিকল্পনা করি। আমার ইচ্ছা, যেভাবেই হোক তাঁর কাছে যেতেই হবে। তাঁর গান সিনেমাতে লাগবেই।