ম্যাচ শেষে সুইস ডিফেন্ডার নিকো এলভেদি তাই ক্ষোভটা লুকাননি, ‘আমি সত্যিই বুঝতে পারছি না, ভিএআর কীভাবে এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারে।’ ঘটনাটি ঘটে ঠিক সেই সময়, যখন সুইজারল্যান্ডের ড্যান এনদয়ে কিছুক্ষণ আগেই গোল করে দলকে সমতায় ফিরিয়েছিলেন।
এটি বিশ্বকাপে দ্বিতীয়বারের মতো এমন ঘটনা, যেখানে ‘ভুল খেলোয়াড়কে কার্ড দেখানো’সংক্রান্ত নিয়ম ব্যবহার করে কোনো খেলোয়াড়ের হলুদ কার্ড পরিবর্তন করা হয়েছে। এই নিয়ম অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড়কে ভুলভাবে হলুদ বা লাল কার্ড দেখানো হলে ভিএআর হস্তক্ষেপ করতে পারে।
সুইজারল্যান্ড কোচ মুরাত ইয়াকিনও ম্যাচ শেষে এই লাল কার্ড নিয়ে নিজের হতাশাটা জানিয়েছেন, ‘আমরাই ম্যাচে আধিপত্য বিস্তার করছিলাম। আমরা খেলাটা নিয়ন্ত্রণ করছিলাম। কিন্তু লাল কার্ডের কারণে আমাদের এমন একটি নিয়মের শাস্তি পেতে হলো, যেটা আমার কাছে বোধগম্য নয়। অবশ্যই এভাবে বিদায় নেওয়া ভীষণ কষ্টের। আজকের ম্যাচে এমন ফল প্রাপ্য ছিল না।’