এবারের নির্বাচনে ন্যূনতম ৫ শতাংশ নারীকে মনোনয়ন দেওয়ার কথা বলা হলেও কোনো দলই সেটি করেনি। এ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘একজন নারীকেও মনোনয়ন না দিয়ে জামায়াতে ইসলামী ন্যক্কারজনক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। জামায়াত দেবে বলে আমরা আশাও করিনি। কিন্তু যাদের কাছ থেকে আশা করেছিলাম, তারা কী করেছে? ক্রিয়াশীল সবচেয়ে বড় দলের প্রার্থীদের ২ দশমিক ৭ শতাংশ নারী। কেন?’ নারী প্রার্থী মনোনয়নে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) অবস্থা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
অর্থ, ধর্ম, পেশি, পুরুষতন্ত্র ও গরিষ্ঠতন্ত্র—এই পাঁচটি বিষয়কে বাংলাদেশে ‘মৌলিক রাজনৈতিক পুঁজি’ বলে উল্লেখ করেছেন ইফতেখারুজ্জামান। একটি প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সংখ্যালঘু, নারীসহ সব পর্যায়ের ভোটারের নিরাপত্তার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলোর। তবে মূল দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোর।
আরেক প্রশ্নের জবাবে ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বর্তমান সরকারের সময়েও দুর্নীতি অব্যাহত আছে। এই সরকারে দুদকের সংস্কারের সুযোগ থাকলেও তা করা হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সম্পদের হিসাব প্রকাশ না করা ভবিষ্যতের জন্য খারাপ উদাহরণ হয়ে থাকবে। অন্তর্বর্তী সরকার স্বচ্ছতার পরিচয় দিতে পারেনি।