নগরবাসীর উদ্দেশে মো. সরওয়ার বলেন, নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার বা গুরুত্বপূর্ণ দলিল অরক্ষিত অবস্থায় রেখে যাবেন না। সম্ভব হলে আত্মীয়স্বজনের বাসায় রেখে যান।
কারও যদি ঢাকায় আত্মীয়স্বজন না থাকে, সে ক্ষেত্রে পুলিশের সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেন ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার। তিনি বলেন, প্রয়োজনে পুলিশের সহায়তা নিতে পারেন। এ ক্ষেত্রে থানায়ও রেখে যেতে পারেন।
নগরবাসীকে বাসা ছাড়ার আগে দরজা–জানালা ঠিকমতো বন্ধ আছে কি না, তা নিশ্চিত করতে বলেন ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার। পাশাপাশি বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ পরীক্ষা করে যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
এ ছাড়া বাসাবাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন ও পুরোনো ক্যামেরা সচল রাখার আহ্বান জানান মো. সরওয়ার। রাতের বেলায় বাসার আশপাশে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা রাখার কথাও বলেন তিনি।
ঈদের সময় ফাঁকা ঢাকায় অপরাধ প্রতিরোধে টহল কার্যক্রম জোরদার করার পাশাপাশি চেকপোস্টের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে বলে উল্লেখ করেন ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার। তিনি বলেন, রাজধানীতে প্রতিদিন তিন শতাধিক মোটরসাইকেল ও গাড়ি দিয়ে মোবাইল প্যাট্রোল পরিচালনা করা হচ্ছে। রাতের বেলায় ৭০টির বেশি চেকপোস্ট বসানো রয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় ফুট প্যাট্রোল চলছে। আবাসিক, বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক এলাকায় বিশেষ নজরদারি থাকবে।