এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, এদিন বেলা ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুবাই-চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বিজি-১৪৮-এ সোনা চোরাচালানের তথ্য পায় ঢাকা কাস্টম হাউস। পরে কাস্টমস কর্মকর্তা ও প্রিভেন্টিভ টিম বিমানে বিশেষ তল্লাশি চালায়।
বিমানটির মেকানিক্যাল ও ক্লিনিং দলের সদস্যরা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ শেষে বিমান থেকে নামার সময় তাঁদের তল্লাশি করা হচ্ছিল। এ সময় বিমানের অ্যাসিস্ট্যান্ট টেকনিক্যাল হেলপার মো. সোয়েব গাজীর পরিহিত বেল্টের মধ্যে কালো স্কচটেপে মোড়ানো কয়েকটি বস্তু পাওয়া যায়। পরে সেগুলো কাস্টমস হলে নিয়ে বিভিন্ন সংস্থার উপস্থিতিতে খুলে সোনার ১২০টি বার পাওয়া যায়। প্রতিটি বারের ওজন ১১৬ গ্রাম হিসেবে মোট ওজন দাঁড়ায় ১৩ দশমিক ৯২ কেজি। এসব সোনার আনুমানিক বাজারমূল্য ২৫ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে এনবিআর।