রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ৫৪ মাস পার হলো সম্প্রতি। একই সময়ে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ও ছয় মাস পেরিয়েছে। এর মাঝের সময়ে বহু দেনদরবার হলো; থামে থামে মনে হলেও যুদ্ধ চলছেই।
উভয় যুদ্ধ ফেব্রুয়ারিতে শুরু। আবহাওয়াবিদ্যায় ফেব্রুয়ারিকে বসন্ত আসার আগের ‘শেষ কষ্টকর মাস’ বলা হয়। চার্লস ডিকেন্স অবশ্য মোলায়েম করে বলেছিলেন, ফেব্রুয়ারি জানায়, উষ্ণ দিনগুলো বেশি দূরে নেই। তবে ফেব্রুয়ারি নিজেও উষ্ণ হতে পারে। ২০২২–এর ফেব্রুয়ারি এবং ২০২৬–এর ফেব্রুয়ারি বিশ্বের অনেক সংস্থার কোষাগারে অচিন্তনীয় উষ্ণতার সূচনা ঘটিয়েছে।
আবুধাবির এজ গ্রুপের কথাই ধরা যাক। ২০১৯–এ প্রতিষ্ঠার পর নিজ দেশ ও আশপাশের অঞ্চলে সীমিত পরিসরে অস্ত্রের ব্যবসা করত তারা। কিন্তু বিশ্বের দুই প্রান্তের সাম্প্রতিক দুই যুদ্ধে ‘এজ’ অস্ত্রপাতির বিশ্ববাজারে গুরুত্বপূর্ণ নাম হয়ে উঠেছে। সর্বশেষ অর্থবছরে তারা পাঁচ বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা করেছে। অর্ডার পেয়েছে আরও ২৫ বিলিয়ন ডলারের।
চাহিদামতো অত্যাধুনিক অস্ত্রের উদ্ভাবন ও জোগানে হিমশিম খাচ্ছে এখন এজ। তাদের জন্য এ মুহূর্তে সুবিধার দিক হলো, উদ্ভাবনের সঙ্গে সঙ্গে সেগুলো যুদ্ধক্ষেত্রে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পারছে। যেসব অস্ত্রের ভালো ফল পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলোর অর্ডার আসছে তাৎক্ষণিক। অস্ত্রের গায়ে ‘যুদ্ধে পরীক্ষিত’ সিল থাকা মানে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকা।