কত সম্পদ, কোথায় ও কেন গুরুত্বপূর্ণ
ইরানের ঠিক কী পরিমাণ সম্পদ জব্দ হয়ে আছে, তা স্পষ্ট নয়। তবে সরকারি হিসাব ও বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদেশে আটকে থাকা এই সম্পদের পরিমাণ ১০০ বিলিয়ন বা ১০ হাজার কোটি ডলারের বেশি।
মিডল ইস্ট কাউন্সিল অন গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্সের সিনিয়র ফেলো ফ্রেডরিক শ্নাইডার আল–জাজিরাকে বলেন, এই অর্থ ইরানের বার্ষিক জ্বালানি রপ্তানি আয়ের প্রায় তিন গুণ। তাঁর ভাষায়, ‘দশকের পর দশক নিষেধাজ্ঞার মধ্যে থাকা একটি সমাজের জন্য এই অর্থ পরিমাণগত দিক থেকে বিশাল।’
তবে এই সম্পদ ছাড় হলেও তা কীভাবে ব্যবহার করা হবে, তার শর্ত দেওয়া হতে পারে—এমন আশঙ্কাও আছে। শ্নাইডারের মতে, দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা ও আলোচনায় জটিলতার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ইরানের আস্থা কম।
২০১৬ সালে সাবেক মার্কিন অর্থমন্ত্রী জ্যাকব লিউ বলেছিলেন, নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেও ইরান সব সম্পদ ব্যবহার করতে পারবে না। এর বড় অংশ আগেই বিভিন্ন বিনিয়োগ বা ঋণ পরিশোধের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তারা বড়জোর অর্ধেক অর্থ ব্যবহার করতে পারবে। বর্তমানে যুদ্ধবিরতি আলোচনায় ইরানের প্রধান দাবি, আস্থা তৈরির অংশ হিসেবে অন্তত ৬ বিলিয়ন বা ৬০০ কোটি ডলার মুক্ত করা হোক।